ছয়লাখ টাকার বিনিময়ে ধামরাইয়ের মালঞ্চ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই স্কুলেরই লম্পট শিক্ষক সাইফুলের পরিবার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ দিকে পুলিশ শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতারের পর আদালতে পাঠিয়েছে এবং স্কুলছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে রবিবার দুপুরে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ধামরাইয়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। ওই স্কুলের কোমলমতি ছাত্র- ছাত্রীরা শিক্ষক সাইফুল ইসলামের শাস্তির দাবী জানিয়েছে।
জানা গেছে, ধামরাইয়ের মালঞ্চ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী প্রতিদিনের মতো গত বুধবার বিকেলে স্কুলে শিক্ষক সাইফুল ইসলামের কাছে প্রাইভেট পড়ছিল। প্রাইভেট পড়া শেষে ওই শিক্ষক সাইফুল ইসলাম শ্রেণিকক্ষেই তার শ্লীলতাহানি করে। পরে বিষয়টি ওই ছাত্রী তার বাবা-মা ও এলাকাবাসীকে জানালে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী গত বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষককে স্কুল থেকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওই দিনই ছাত্রীর পিতা লম্পট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ধামরাই থানা-পুলিশ তাকে আদালতে পাঠান। এ ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ও স্কুলছাত্রীর পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে রফার চেষ্টা করছে একটি মহল।
