সিংগাইরে নির্মাণাধীন ভবনের সানশেড ধসে দুই শ্রমিক আহত

আপডেট : ০৯ মে ২০১৯, ০০:২৯

নগরীতে নির্মাণাধীন একটি ভবনের তিন তলার সানশেড ধসে দুই শ্রমিক নিচে পড়ে গুরুতর জখম হয়েছেন। আহতরা হলেন— নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ ডুমুরিয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে ফারুক (৩৫) ও একই জেলার পুটিমারি গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে অতিক (৩৫)। তাদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে  ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে সিংগাইর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে সুমি বিউটি পার্লারের ৫ তলা নির্মাণাধীন ভবনের তিন তলায় শ্রমিকরা কাজ করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছে পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। ছুটির ঘণ্টা বাজার সাথে সাথে দারোয়ান স্কুল গেট খুলে দিলে ছাত্রীরা রাস্তায় বের হওয়ার আগমুহূর্তেই ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতোয়ার রহমান বলেন, রাস্তার ধারে ভবনের কাজ হচ্ছে অথচ কোনো প্রোটেকশন নেই। গ্রেট বিম না দিয়ে এবং নিয়মের বাইরে কাজ করানোর ফলেই এমনটি ঘটেছে।

পৌরসভার বর্তমান উপ-প্রকৌশলী শফি মাহমুদ বলেন, বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন মালিক টাকা বাঁচানোর জন্য যেভাবে কাজ করতে বলবে শ্রমিকরাতো সেভাবেই কাজ করবে। আর নিম্নমানের কাজ হওয়ার কারণেই সানশেড ধসে পড়েছে। এছাড়া পৌরসভার বেশিরভাগ ভবনই বিল্ডিং কোড না মেনে তৈরি হচ্ছে। এ ব্যাপারে তাদের নোটিস দিয়েছি কিন্তু তারা এতে কর্ণপাত করছেন না।

নির্মাণাধীন ভবন মালিক মো. জহির জানান, কাজ সম্পন্ন না করে এবং ঠিকাদারকে না জানিয়ে শ্রমিকরা সেখানে কাজ করতে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। আশপাশের লোকজন জানান, পিন্টু নামে এক ব্যক্তি নির্মাণাধীন এ ভবনের ঠিকাদার এবং সেই সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারও। তিনি এভাবে আরো ভবন করেছেন।