ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও মূল পাঠ্যকেবেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত

আপডেট : ০১ জুন ২০১৩, ১৮:২১
আব্দুল হালিম, অধ্যক্ষ নবকুমার ইনস্টিটিউট ওড. শহীদুল্লাহ কলেজ, ঢাকা এইচএসসি পরীক্ষা শেষ প্রান্তে। এখন পরবর্তী ধাপে গমনের অপেক্ষায়। তাই তোমাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে একটি বিষয় বলতে চাই যে, তোমরা ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সাজেশন বা নোট নির্ভর পড়াশুনা পরিহার করে মূল পাঠ্য আগা-গোড়া পড়বে। অনেকেই আছা ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতির বেলায় বিভিন্ন পার্শ্ব বই পড়তে যেয়ে মূল পাঠ্য পড়ার সময়ই পাওনা। এটা হিতে বিপরীত হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে, মেডিকেলে, ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা যে কোন অনুষদে ভর্তি হতে হলে বিগত বছরগুলোর প্রশ্ন কাঠামো দেখে নিতে পার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশ্নের একটা সুনির্দিষ্ট কাঠামো আছে। পৃথক পৃথক বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন থাকে। সেই আলোকে প্রস্তুতি নিতে হবে। এজন্যে সর্ব প্রথমে যেটি প্রয়োজন সেটি হলো পাঠ্যবইয়ের আদ্যপান্ত জানা ও আয়ত্ত করা। আর সেজন্য নিজে প্রশ্ন তৈরি করে নিজে নিজে মডেল টেস্ট দেয়া। প্রয়োজনে গ্রুপ স্টাডি করা। বন্ধু বান্ধব মিলে গ্রুপ ওয়ার্ক করা এবং মডেল টেস্টটি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করা। আত্মশক্তি বাড়বে। কোন অধ্যায়ে দূর্বলতা থাকলে শিক্ষকের সহায়তায় সেটা দূর করে ফেলা। প্রয়োজন কাউন্সিলিং উচ্চতর শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে চাপটা সাধারণতঃ একটু বেশিই থাকে, তাই পরীক্ষা চলাকালিন যেকোন পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীরা যাতে নিজেদের সামাল দিতে পারে সেজন্য শিক্ষক কিংবা অভিভাবকদের উচিত সমভাব্য পরিস্থিতি অনুযায়ী তার সমাধানকল্পে কাউন্সিলিং প্রদান করা। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীই আছে, যারা চান্স পাওয়ার ব্যাপারে মোটামোটি নিশ্চিত, তারা প্রশ্ন হাতে নিয়ে যদি দেখে যে প্রথম প্রশ্নটিই আনকমন, সেক্ষেত্রে ঘটতে পারে অনেক অঘটনই! তাই সেসব মুহূর্তে তারা সুন্দরভাবে মোকাবেলা করতে পারে সেজন্য তাদেরকে এই মর্মে বুঝাতে হবে যে, আচ্ছা আমার একটি কমন পড়েনি তাহলে আমাকে অন্যগুলো এমনভাবে লিখতে হবে যাতে ৯৯ মার্কস আমার আসে। অর্থাত্ এক অনিষ্টের জন্য যাতে দশ অনিষ্ট না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ প্রস্তুতি যত ভালোই হোক-না-কেন, প্রশ্ন কমন নাও পড়তে পারে। ফলে বিষয়টিকে মেনে নিয়ে পরীক্ষার হলে নিজেকে স্বাভাবিক রেখে আগে ভালো জানা প্রশ্নোত্তরগুলো শেষ করতে হবে।