উইঘুরদের গণআটক: চীনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার দাবি

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৪৬

চীনের পশ্চিম জিনজিয়াং অঞ্চলে উইঘুর জাতিগোষ্ঠীর মানুষজনকে গণআটক রাখা নিয়ে দেশটির বিরুদ্ধে অবশ্যই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত— এমন দাবি জানিয়েছেন বিশ্বের কয়েকশ বিদ্বান ব্যক্তি। তারা সতর্ক করে বলেছেন, ভূমিকা রাখতে ব্যর্থতা হবে ‘নির্দোষ বেসামরিক নাগরিকদের মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতনকে’ মেনে নেওয়ার একটি নিদর্শন।

বেশ কয়েকটি দেশের বিভিন্ন বিষয়ের ২৭৮ জন বিদ্বানের এ গ্রুপ সোমবার ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনে উইঘুরদের আটক রাখার নীতি বাতিলের আহবান জানান। একই সঙ্গে আটক কেন্দ্র পরিচালনা করা প্রধান চীনা নেতৃবৃন্দ ও নির্যাতনের সঙ্গে যুক্ত নিরাপত্তা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি তুলেন তারা। এক বিবৃতিতে গ্রুপটি বলেছে, ‘বিশেষভাবে জাতিসত্তা বা ধর্মের ভিত্তিতে নিজ জনগোষ্ঠীর কোনো অংশের ওপর সর্বতোভাবে কোনো একটি রাষ্ট্রের নির্যাতন মেনে নেওয়ার বিষয়ে ভবিষ্যতের নেতিবাচক নজির স্থাপন রুখতে এ পরিস্থিতিটা অবশ্যই তুলে ধরা উচিত।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, দেশগুলোর উচিত উইঘুর মুসলিম সংখ্যালঘুদের কাছ থেকে আসা রাজনৈতিক আশ্রয়ের অনুরোধগুলোর অগ্রগতিতে সহায়তা করা, একই সঙ্গে ‘এ গণআটকের পদ্ধতি নিয়ে তদন্তের লক্ষ্যে এবং ক্যাম্পগুলো বন্ধে জাতিসংঘের ব্যবস্থার জন্য একটি তত্পরতাকে এগিয়ে নেওয়া।’

চলতি বছরের আগস্টে জাতিসংঘের একটি মানবাধিকার প্যানেল জানায়, চীনের পশ্চিমাঞ্চলে ১০ লাখেরও বেশি উইঘুর এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে আটক রাখা বিষয়ে সংস্থাটি একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন পেয়েছে। তবে চীনা কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক আটক রাখার কথা অস্বীকার করে। চীনা কর্মকর্তাদের দাবি, উগ্রপন্থি মুসলমানদের রুখতে তারা ওই অঞ্চলে আগাম কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।