বছরের শেষ দিকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ ফুটবল আয়োজনের উদ্যোগ

আপডেট : ০২ জুন ২০১৩, ২১:৫০
এবছরই ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কিংবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই প্রতিযোগিতা। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ইরান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ভারতকে এতে আমন্ত্রণ জানানো হবে। আটটি দেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করার পরিকল্পনা বাফুফের। শেষ পর্যন্ত ছয়টিকে নিয়েও টুর্নামেন্ট হতে পারে বলে ফিফার কংগ্রেস থেকে ঢাকায় ফিরে জানিয়েছেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। ২৯ মে মরিশাসে অনুষ্ঠিত ফিফার কংগ্রেস থেকে শনিবার ঢাকায় ফিরে গতকাল বাফুফে ভবনে টুর্নামেন্ট সম্পর্কিত অগ্রগতি জানান তিনি। ফিফার কংগ্রেস চলাকালে সেখানে আসা বিভিন্ন দেশের ফুটবল প্রধানদের সাথে কথা হয়েছে তার। তিনি পছন্দের কয়েকটি দেশকে মৌখিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এইসব দেশ আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ঢাকায় আসতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান বাফুফে সভাপতি। এইসব দেশ আমন্ত্রণ পত্র পাঠাতে বলেছে। টুর্নামেন্টটি সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই হতে পারে বলে তাদের জানিয়ে এসেছেন সালাহউদ্দিন। আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পত্র পেলে নিজেদের ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচের সিডিউল মিলিয়ে বাংলাদেশের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে দেশগুলো। তাদের মৌখিক আশ্বাস পেয়ে উদ্যোগী হয়েছে বাফুফে। বাফুফে সভাপতি কাল নিজের কক্ষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তারা ১০ দিনের মধ্যে আমন্ত্রণ পাঠাতে চান। এ ব্যাপারে তিনি বলেন,‘আমন্ত্রিতদের জানিয়ে দেয়া হবে কোন তারিখে টুর্নামেন্ট হবে। আশা করছি আমরা যেভাবে টুর্নামেন্ট করতে চাই সেভাবেই হবে। আট দল নিয়ে করার ইচ্ছে রয়েছে। যদি ছয় দলও আসে টুর্নামেন্ট করে ফেলবো।’ কোন দলগুলোর সাথে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে বাফুফে সভাপতি বলেন,‘কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ইরান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ভারতকে আনার জন্য আলোচনা হয়েছে। তবে প্রথম তিনটি দল আসার ব্যাপারে খুবই আগ্রহী’। সব কটি দেশই অনেক শক্তিশালী। তাই এদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দল কতটা পেরে উঠবে? সালাহউদ্দিনের জবাব, হেরে যাবো বলে বসে থাকব। এটা আমি মানি না। আমাকে খেলতে হবে শক্তিশালী ফুটবল দেশগুলোর বিরুদ্ধে। যুদ্ধে হেরে যাওয়ার ভয়ে আমি তো লুকিয়ে থাকতে পারি না। এখন হয় তো ১০ গোল খাবো। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে খেললে পাঁচ বছর পর আর আমাদের খেলোয়াড়রা ১০ গোল খাবে না। ঘুরে ফিরে ভুটানের সাথে খেলে আমি উন্নতি করতে পারব না। আমি এই ফ্যামিলি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। উন্নত ফুটবল দেশগুলোর সাথে হারলেও লড়াই করতে চাই। এদেশের দর্শকও ভালো ফুটবল দেখতে চায়।’