স্টাইলশপ

ফ্যাশনের নতুন দরজা

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৩, ১৮:৫৬
নামটা ডোরস, বিখ্যাত সেই মিউজিক ব্যান্ডের কথা মনে পড়তেই পারে! আর যদি এই সময়ের ফ্যাশন সচেতন কেউ হন, অবশ্যই বসুন্ধরা সিটির ডোরসের কথা মনে পড়বে এক কথায়। টাওয়ার সেকশনের পাঁচতলায় যাত্রা শুরু করে ফ্যাশন হাউস ডোরস। প্রায় ৭০০০ স্কয়ারফিট জায়গার পুরোটা জুড়েই আধুনিক ফ্যাশনের ছোঁয়া। পাশ্চাত্য আর দেশীয়, দু-রকমই পোশাক রয়েছে এখানে। জামা-জুতা বলেন আর অন্যান্য অ্যাক্সেসরিজ, দুইয়ে মিলেই ডোরস সম্পূর্ণ অন্যরকম এক ফ্যাশন দুনিয়া। ঘুরে এসে লিখেছেন সাজেদুল ইসলাম শুভ্র, ছবি তুলেছেন দীপঙ্কর দীপু বসুন্ধরা সিটিতে ঢুকতেই ডানদিকের কোণঘেঁষে গড়ে উঠেছে ভিন্ন ধারার কিছু দোকান। সেগুলো দোকানের চেয়ে বিশাল বিশাল ফ্যাশন পসরা হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর তার মাঝে ডোরসকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে একদমই কষ্ট হয় না। লেভেল পাঁচের পুরোটাই তাদের দখলে, আর তারা সেটা সাজিয়েছেন সম্পূর্ণ আধুনিক পাশ্চাত্য ফ্যাশনের ছোঁয়ায়। ঢুকতেই চোখে পড়বে ছেলেদের কিছু পোশাক-আশাক। সেগুলোর মান এবং ডিজাইন নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সবকিছুতেই রয়েছে তাদের নিজস্বতার একটা ছোঁয়া। শুধু পোশাকেই নয়, এদের বৈচিত্র্য পাবেন অ্যাক্সেসরিজেও। বেল্ট বা জুতাতেও ডোরসের আলাদা পরিচিতি রয়েছে। পাবেন স্নিকার, লুফার বা সু-ও। ছেলেদের ফরমাল পোশাকেরও রয়েছে অনেক সংগ্রহ। পছন্দের অনেক সুযোগ, শুধুই দাম আর পছন্দের মিল দেখে বেছে নিন আপনারটা। একটা আলাদা ওয়াচ কর্নারও রয়েছে, চাইলে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ঘড়িও পেতে পারেন এখানে আপনি। এবার যদি একটু লেডিস সাইডে ঢুঁ দেন, দেখবেন মেয়েদের বাহারি স্যান্ডেল একপাশজুড়ে। যেসব তরুণী নিত্য ফ্যাশনের সাথে নিজেকে তাল মিলিয়ে রাখতে চান, তাদের জন্য ডোরস থাকতে পারে প্রথম পছন্দের কাতারে। তাছাড়া ডোরসের মেয়েদের ব্যাগগুলোও বেশ সমাদৃত সবার কাছে। পার্স থেকে শুরু করে বড় ভ্যানেটি সব রকম ব্যাগই রয়েছে এখানে। টপস, লেগিংস, জিন্স, কামিজসহ অন্যান্য জিনিসের ডিজাইনও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। কিছুটা পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ২০১০ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই ডোরস আলাদা করে পরিচিতি করে নেয় ফ্যাশন জগতে। তারপর থেকে পরিবর্তনের দোলাচালে সবসময়ই তারা নিজেদের সাজিয়ে নিয়েছেন নতুন করে। ডোরসের পসরা দেখতে ঘুরে আসতে পারেন তাদের ওয়েবসাইটে www.doors-fashion.com এ এক নজরে কোথায় :বসুন্ধরা সিটির টাওয়ার সেকশনের লেভেল ফাইভে কখন যাবেন :মঙ্গলবার বাদে সপ্তাহে যেকোনো দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। ব্যবস্থাপকের ভাষ্য :ডোরস-এর সিইও মো. তারিক জানালেন, ডোরস মূলত এজে গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে প্রথম বসুন্ধরা সিটিতেই যাত্রা শুরু করে। অন্যত্রও খুব শীঘ্রই শুরু হবে তাদের আউটলেট। আর মান ধরে রাখার যে প্রয়াস সেটা সবসময়ই খেয়াল রাখা হয়। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম ডোরস মূলত কাদের লক্ষ্য করে তাদের জিনিসগুলো তৈরি করে থাকে? তিনি বলেন, ‘সাধারণত তরুণ প্রজন্মের যারা ফ্যাশনসচেতন, তারাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’