দাবদাহে পশ্চিমাঞ্চলে জনজীবন স্থবির

আপডেট : ১০ মে ২০১৯, ২১:৩০

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

পশ্চিমের জেলাগুলোর উপর দিয়ে কয়েকদিন ধরে মাঝারি তাপ প্রবাহ বইছে। এতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব কেটে যাওয়ার পর যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। গত তিনদিন তাপমাত্রা অসহনীয় অবস্থায় পৌঁছেছে।

ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, আমাদের দেশে এপ্রিল-মে মাসে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি থাকে। এসময় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয়। রাতের দৈর্ঘ্য কম থাকায় তাপমাত্রা সম্পূর্ণ বিকিরণ হয় না। এতে উত্তাপ থেকে যায়। আর বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় শরীর থেকে ঘাম ঝরে, অস্বস্তি লাগছে। সে সাথে পশ্চিমী লঘু চাপের প্রভাবে বাতাস উত্তপ্ত হচ্ছে। এতে গরম বাড়ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যশোরে ৩৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ঈশ্বরদীতে ৩৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম চলছে। প্রচণ্ড গরমে বেলা বাড়ার পর চাষি মাঠে কাজ করতে পারছে না। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইর হচ্ছে না। দুপুরে একটু শীতল পরশ পেতে গ্রামের মানুষ গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছে।