ইত্তেফাক রিপোর্ট
গত চার মাসে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। তারা
বলেছে, নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধ করা না গেলে সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব অধিকতর হুমকির মুখে পড়বে। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ধর্মীয়-জাতিগত সকল সংখ্যালঘু সংগঠনকে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে সমন্বিত করে আগামী ২৫ মে সকাল ১০টায় সারাদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মণি-সিংহ ফরহাদ ট্রাস্ট ভবনে শহীদ তাজুল মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এ সভায় আগামী ২০২০ সালের ১১ ও ১২ ডিসেম্বর ঐক্য পরিষদের একাদশ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনোত্তর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভাঙাগড়ার এ পর্যায়ে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, নির্যাতন, জায়গা-জমি দখল, মন্দির উপাসনালয়ে বিগ্রহ ভাঙচুর সারাদেশে আবার বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। পঞ্চগড় জেলে আটকাবস্থায় আইনজীবী পলাশ কুমার রায়ের শরীর আগুনে ঝলসে দিয়ে তাকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। সংগঠনের অন্যতম সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার পৈত্রিক বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের সন্ধানে তার ফরিদপুরের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। ধর্মান্তরকরণের মাত্রা বেড়েছে বেশ কয়েকগুণ। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সর্বশ্রী কাজল দেবনাথ, নির্মল রোজারিও, জে. এল. ভৌমিক, মঞ্জু ধর, মিলন কান্তি দত্ত, বাসুদেব ধর, মনীন্দ্র কুমার নাথ, এ্যাড. তাপস কুমার পাল, নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, অ্যাড. কিশোর মন্ডল, পদ্মাবতী দেবী, অ্যাডভোকেট দীপংকর ঘোষ, অধ্যাপক অরুণ গোস্বামী, রাহুল বড়ুয়া, ব্যারিস্টার তাপস কুমার বল প্রমুখ।
