একনজরে বরিশাল

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৩, ২০:২৩
আয়তন : ২,৭৯১ বর্গকিমি লোকসংখ্যা (২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী) ২৩ লক্ষ ৭৭১ জন (পুরুষ ১১ লক্ষ ২৮ হাজার ৫৭ জন, মহিলা ১১ লক্ষ ৭২ হাজার ৭১৪ জন) সংসদীয় আসন : ৬ টি সিটি কর্পোরেশন : ১ টি পৌরসভা : ৫ টি উপজেলা :১০ টি থানা :১৩ টি ইউনিয়ন : ৮৫ টি গ্রাম : ১,২২৭ টি মৌজা : ১,০৭১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় : ৯৫১ টি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় : ৪৯৩ টি , সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ২ টি , বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ৩৪৯ টি, সরকারি কলেজ : ৭ টি বেসরকারি কলেজ :৫৮ টি নদী :২০ টি নৌ-পথ : ১,১৫০ কিমি বদ্ধ জলমহাল (২০ একরের উর্ধ্বে) : ১ টি বদ্ধ জলমহাল (অনূর্ধ্ব ২০ একর) ১৫৭ টি উন্মুক্ত জলমহাল : ৩২ টি হাট-বাজার : ২৯৩ টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস :৬৯ টি পাকা রাস্তা :৭,৭৪৩.৫ কিমি কাঁচা রাস্তা : ১,৫১৭.৫ কিমি মুলাদী উপজেলায় হাসপাতাল নেই! কবির প্যাদা, মুলাদী (বরিশাল) সংবাদদাতা মুলাদী উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৯৬৩ সালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট একতলা ভবন হাসপাতাল হিসাবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১৯৮৪ সালে পূর্বে একতলা হাসপাতাল ভবনের উপর দ্বিতীয় তলা করিয়া ৩১ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ৩য় পর্যায়ে ২০০৬ সালের ৫০ শয্যা হাসপাতালের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু করার পর ৩ কোটি ৭২ লক্ষ টাকার কাজের ৩৫% ভাগ করার পরপর নূরে এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার এল জি ই আই ডির প্রতিমন্ত্রির আত্মীয় কাজ ফেলে পালিয়ে যায়। ইতিমধ্যে একাধিক বার পুরোনো ভবনটির ছাদ ভেঙ্গে রোগী ও কর্মচারী আহত হয়েছে। গত ১৫ই মে ২০১৩ হাসপাতালটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল। গত ১০ বছর আগে একটি রিকন্ডিশন্ড এম্বুলেন্স মুলাদী হাসপাতালে দেওয়া হয়েছিল এখন পরিত্যক্ত।হিজল মুলাদী মেহেন্দীগঞ্জের অধিকাংশ রোগী এখানে চিকিসাত্ নিয়ে থাকত। বর্তমানে হাসপাতাল পরিত্যক্ত ঘোষণা হওয়ার পর ও ৪/৫ জন চিকিত্সক ১০০-১৫০ রোগির চিকিসাত্ দিয়ে থাকেন হাসপাতালের ভিতরেই। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টি এইচ এ ডাঃ ফারুক আলমের কাছে পরিত্যক্ত হাসপাতালের ভিতরে শত শত রোগী চিকিসাত্ দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ দায়-দায়িত্ব কে নিবে জানতে চাইলে তিনি জানান রোগী আসিলে আমরা কি করব। রোগীদের একমাত্র সম্বলমুলাদীর ২টি ক্লিনিক। তথ্য সেবা বদলে দিয়েছে মাহিলাড়ার জীবনচিত্র গৌরনদী (বরিশাল) সংবাদদাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সকল কর্মকান্ডে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার ও তথ্য প্রযুক্তির সেবা দিয়ে বেশ অল্প দিনেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ। কয়েক মাস আগে মাহিলাড়া ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন জনপ্রশাসন সচিব আব্দুস সোবাহান সিকদার। মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্রের মান দেখে ভূয়সী প্রসংশা করেন। এছাড়াও মাহিলাড়া ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাউথ ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ রুর্যাল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ও প্রকল্পের সিনিয়র এ্যাডভাইজার ওয়াল্ডল্যান্ড রিসোর্স সাইন্স জাপানের প্রতিনিধি তশিফুমি সেরিজাওয়া, সাউথ ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ রুর্যাল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের ইন্টরন্যাশনাল বিশেষজ্ঞ ড. এআরএম মমতাজউদ্দিন, বেসরকারি মানবিক সংস্থা পদক্ষেপের চেয়ারম্যান মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান। গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের জঙ্গলপট্টি গ্রামের আবুল কালাম জানান, তথ্য সেবা হেইডা আবার কি, আগে বুঝি নাই। তয় এ্যাহন দেহি এহ্যানে সব আছে। মোর পোলায় বিদাশে থায়ে। এই কেন্দ্রে আইসা অর ছবি দেহি আর মোরা অর লগে কথা কই। মোর পোলায়ও নাকি মোগো ছবি দেখতে পায়। এত সুযোগ-সুবিধা আগে কোতায় আছেলে”। মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্রের সেবা পেয়ে আবুল কালাম উলে¬খিত কথাগুলো বলেছেন।