সাইবার ক্যাফে আমাদের দেশে মাঝখানে বেশ জনপ্রিয় হলেও বর্তমানে আগের মতো আর জনপ্রিয়তা নেই এর। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য হয়ে যাওয়া, ওয়াইম্যাক্সের প্রসার এবং বিশেষ করে মোবাইল ব্রডব্যান্ডের প্রসারের কারণেই এখন আমাদের দেশে মানুষের হাতে হাতেই পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট। বাংলাদেশে কয়েক বছর আগে ইন্টারনেট ব্যবহারের যে চিত্রটি ছিল, সেই চিত্রটি এখনও খুঁজে পাওয়া যায় আফ্রিকার অনেক দেশেই। সেসব দেশে সাইবার ক্যাফেও খুব বেশি নেই। এর মধ্যেই সাইবার ক্যাফে নিয়ে নতুন এক ধারণার সূচনা করেছে গুগল। সেনেগালের রাজধানী ডাকারে তারা এমন একটি সাইবার ক্যাফে স্থাপন করেছে, যাতে নেই কোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার। এর বদলে সেই ক্যাফেতে ব্যবহার করা হয়েছে ট্যাবলেট পিসি। ইন্টারনেট ব্রাউজিংসহ সাইবার ক্যাফের প্রচলিত কাজগুলো এই ক্যাফেতে করা হচ্ছে ট্যাবলেট পিসি ব্যবহার করেই। একে তারা নাম দিয়েছে ‘ট্যাবলেট ক্যাফে’। ট্যাবলেট পিসি দ্বারা পরিচালিত এটিই বিশ্বের প্রথম ক্যাফে। নতুন এই ট্যাবলেট ক্যাফে সম্পর্কে গুগল’র আফ্রিকা অঞ্চলের প্রধান টিডিয়ান ডেমি বলেন, ‘এটিই বিশ্বের প্রথম ট্যাবলেট ক্যাফে, যেটি কেবল ট্যাবলেট পিসিতেই চলে।’ সাম্প্রতিক সময়ে আফ্রিকার দেশগুলোতে ইন্টারনেটের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ছে। সাইবার ক্যাফের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে সেখানে। তবে ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহার করতে গেলে তুলনামূলকভাবে খরচটা একটু বেশিই হয়। পাশাপাশি সারা বিশ্বেই ট্যাবলেট পিসি জনপ্রিয় ডিভাইসে পরিণত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আফ্রিকার সাইবার ক্যাফেগুলোতে ট্যাবলেট পিসির ব্যবহার তাদের খরচ কমিয়ে দিতে পারে বলেই ধারণা করছে গুগল। তার জন্যই পরীক্ষামূলকভাবে এই ক্যাফেটি চালু করেছে গুগল। তারা আশা করছে, ট্যাবলেট ক্যাফের এই ধারণা জনপ্রিয় হয়ে উঠবে আফ্রিকার দেশগুলো।
