জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সুযোগ্য নাগরিক গড়তে

আপডেট : ১১ জুন ২০১৩, ১৮:৫৫
দেশের যুবসমাজ তথা স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জ্ঞান শৃংখলা ও একতার মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করে যোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)। সময় ও চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিএনসিসি-এর কার্যক্রম বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর্তমানবতার সেবায় রক্তদান, দুর্যোগ মোকাবেলায় দুর্গতদের সহযোগিতা, নিরক্ষতা দূরীকরণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, রাস্ট্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা প্রদান, বৃক্ষরোপণ অভিযানসহ প্রভৃতি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিএনসিসি-এর ক্যাডেটগণ নিজেদের সদা তত্পর রেখেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত এই সংগঠনটির রয়েছে সুদীর্ঘ ঐতিহ্যের ইতিহাস। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ১৯২৩ সালে ইন্ডিয়ান টেরিটোরিয়াল ফোর্স (আইটিএফ) এ্যাক্ট পাস হওয়ার পর কতিপয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিভার্সিটি ট্রেনিং কোর (ইউটিসি) নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিগত বছরগুলোতে বিএনসিসি এর কার্যক্রমকে দেশব্যাপী সম্প্রসারিত করতে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন প্লাটুন চালু করা হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্লাটুনস-এর ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) মেসবাহুর রহমান মাহিন বলেন, ‘দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদেরকে নিবেদিত করতেই আমরা বিএনসিসি সব ধরনের কাজে সদা তত্পর রয়েছি। আমরা নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও নিজেদের জেলা উপজেলা ও জাতীয় পর্যায়ে কাজ করে থাকি।’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় শ্রেণির সৈনিক নামে পরিচিত এই সংগঠনটি ক্যাডেটদের সুশিক্ষিত করার নিমিত্তে বছরব্যাপী আয়োজন করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা। প্রায় দশ থেকে বারো হাজার ক্যাডেট প্রতিবছর সরাসরি বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।