আড়াইহাজারে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ইফতার সামগ্রী

আপডেট : ১১ মে ২০১৯, ০০:১৪

আড়াইহাজার উপজেলার দুটি পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার সামগ্রী তৈরির পর তা খোলাবাজারে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার ইফতার সামগ্রী বিক্রেতারা বিভিন্ন হাটবাজার ও মোড়ে খোলা যায়গায় বাহারি রকমের ইফতারির পসরা বসিয়ে দেদারসে সেগুলো বিক্রি করছে। খোলা পরিবেশে ইফতারি বিক্রির ফলে তাতে পড়ছে ধুলাবালু, বসছে মাছি। অনেকটা নিরুপায় হয়েই সাধারণ মানুষ এসব ইফতার সামগ্রী কিনছেন। বিকাল পাঁচটার পর বিক্রির ধুম পড়ে গেলে কেউ আর ধুলাবালি কিংবা মাছির দিকে খেয়াল করে না। উপরন্তু বিভিন্ন প্রকারের ইফতারি খাবার যেমন পিঁয়াজু, বেগুনি, বড়া, আলুর চপ, জিলাপী ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে নানা রকমের রং ও বিষাক্ত কেমিক্যাল। পোড়া তেলে ভাজা হচ্ছে এসব ইফতার সামগ্রী। সারা দিন রোজা রাখার পর যা খেলে যে কোনো বয়সের মানুষের জন্যই তা পেটের পীড়ার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

জানা গেছে, আড়াইহাজার পৌরসভা সদর বাজারের কলেজ রোড, দুবাই প্লাজার আশপাশ, থানার মোড়, গুড় পট্টির সম্মুখ ভাগে, ওয়ার্কসপ পট্টি, ডাকবাংলো রোড, কৃঞ্চপুরা চৌরাস্তা, দীঘিরপাড়, ব্রাহ্মন্দী বাজার, ছোট ফাউসা, মারুয়াদী বাজার, প্রভাকরদী বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের শতাধিক স্পটে টি-স্টল, হোটেল, রেস্তোরাঁ ও মোড়ে মোড়ে বিক্রি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর ইফতার সামগ্রী।

কয়েকজন বিক্রেতা জানান, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে ইফতারির খাবারে কিছুটা ভেজাল না দিলে লাভ বলতে কিছু থাকে না। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিব ইসমাইল ভুইয়া বলেন, রমজানে নানা রকম রং ও কেমিক্যাল মিশ্রিত খাবার খেলে পেটের অসুখ যেমন- পেটে গ্যাস, বমিবমি ভাব, ডায়রিয়া, আমাশয়, লিভার ও কিডনি বিকল, এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হোসেন  বলেন, ভেজাল ও কেমিক্যাল মিশ্রিত খাবার অবশ্যই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। খুব দ্রুত এসব খাবার  বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।