গোয়েন্দা নজরদারি বন্ধের পরিকল্পনা নেই যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ১২ জুন ২০১৩, ২০:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেছেন, টেলিফোন ও ইন্টারনেটে জনগণের ওপর সরকারের গোয়েন্দা নজরদারি নিয়ে নানা বিতর্ক চললেও তাদের এই কর্মসূচি বন্ধ করার কোন পরিকল্পনা নেই। কেননা এর সঙ্গে গোটা দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত। ভবিষ্যত্ সন্ত্রাসী হামলা থেকে দেশকে রক্ষার্থে আমাদের এটি চালিয়ে যেতে হবে। সোমবার তিনি এ কথা বলেন। -খবর এপি ও ডন অনলাইনের। ওয়াশিংটনে কংগ্রেসের সদস্যরা বলেছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রকে যে কোন ধরনের সন্ত্রাসী হামলা থেকে রক্ষা করতে চান। এ লক্ষ্যে তারা নতুন নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তবে এক্ষেত্রে গোয়েন্দা কর্মকাণ্ডে নাগরিকদের গোপনীয়তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান অ্যাডাম স্কিল্ফ ‘হাউস অব ইন্টেলিজেন্স কমিটি’তে বলেন, আমাদের সরকারের প্রতি আস্থা খুবই কম। আর এ আস্থাহীনতার পিছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সন্ত্রাসী হামলা থেকে রক্ষা করা আমাদের সকলেরই দায়িত্ব। সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সদস্য অ্যানগাস কিং বলেন, আমরা বিবেচনা করছি কিভাবে টেলিফোন ও ইন্টারনেট থেকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তকে একটা সীমিত পর্যায়ে নিয়ে আসা যায়। কেননা এর মাধ্যমে ব্যাপক হারের পরিবর্তে সীমিত পর্যায়ে আনা হলে তা ভালো হবে। এদিকে ইন্টারনেটের গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসকারী সাবেক সিআইএ কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেনের শাস্তির বিষয়ে বিবেচনা করছে ওবামা প্রশাসন। দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তদন্ত করছে। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হতে পারে। সিনেট ইন্টেলি-জেন্সের চেয়ারপার্সন ডায়ানে ফিনসটেইন বলেন, স্নোনেডের এ কর্মকাণ্ড অবশ্যই এক বিশ্বাসঘাতকতা। এজন্য তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ কমিটির অন্য এক কর্মকর্তা জানান, তাকে কোন অভিযোগের আওতায় আনা হবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তার বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হতে পারে। এ কারণে তার মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটিতে আবার আলোচনা হবে।