চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার কালির বাজার লঞ্চঘাটের বেহাল দশা। যেন দেখার কেউ নেই? পন্টুনে মরিচা ধরে ক্ষয় হয়ে জরাজীর্ণ হয়ে বহু স্থান ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় পড়ে আছে বহু দিন যাবত্। ফলে যাত্রীদের বর্ণনাতীত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ ছাড়াও দুর্গাপুর লঞ্চঘাটের পন্টুনটি অর্ধেক পানিতে ডুবে গেছে। ঐ একই সমস্যায় জর্জরিত পন্টুনটি। মরিচা ও ভেঙ্গে গিয়ে ছিদ্র দিয়ে পানি ঢুকছে পন্টুনে। পন্টুন দু’টি দীর্ঘদিন যাবত্ জরাজীর্ণ থাকার কারণে ইজারাদার মালিক ও পন্টুনের দায়িত্বে থাকা কর্মচারীর বিআইডব্লিউটি-এর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে পন্টুনগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে আছে এবং পন্টুনটি ছিদ্র হয়ে আস্তে আস্তে পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এ কারণে লঞ্চঘাটে ভিড়তে পারছে না ট্রলার, লঞ্চ ও পারাপারের নৌকাগুলো। এদিকে ফরাজিকান্দি ঘাটের পন্টুনের সাথে জেটির কোন সম্পর্কই নেই। সংস্কারের অভাবে জেটির কাঠ, রড বহু স্থানে চুরি হয়ে গেছে। এতে জেটিটি কোন কাজেই আসছে না। এখানে উল্লেখ্য যে, চাঁদপুর আইডাব্লিউ টার্মিনাল থেকে মতলব ষাটনল পর্যন্ত ১২টি লঞ্চঘাট রয়েছে। এগুলো প্রতিবছরই ইজারা দিয়ে কর্তৃপক্ষ লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। কিন্তু যাত্রীদের উঠা-নামার ক্ষেত্রে কোন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করাতো দূরের কথা যেগুলো আছে, সেগুলোর যত্ন নেয়া হচ্ছে না দীর্ঘদিন যাবত্।
