বটতলার পারফিউম বাবা। বাবা থেকে পারফিউম নিয়ে ব্যবহার করলেই মনের আশা পূর্ণ হয়। সে আশায় সেদিন কাজল ভাইও একটা পারফিউম আনিয়ে নেন তাঁর এক বন্ধুকে দিয়ে। সমস্যা হলো তাঁর কথায় মেয়ে পটে না। আর তাই কাজল ভাইয়ের এই পদক্ষেপ। কিন্তু বিপত্তি ঘটল ৭ দিনের মাথায়। সমস্যার সমাধানের বদলে উল্টো আরো সমস্যা দেখা দিল। আগে সমস্যা ছিল মেয়ে পটে না, আর এখন সমস্যা হলো ছেলেরা প্রচুর ডিস্টার্ব করে তাঁকে। ফেসবুকে তাঁর নতুন নতুন ছবিতে ছেলেরা সমানে লাইক মারে, রাস্তায় দেখা হলেই কোলাকুলি শুরু করে, কারণে অকারণে ফোন দেয়। সব মিলিয়ে ভীষণ জ্বালায় আছেন কাজল ভাই।
পারফিউম নিয়ে চলে গেলেন পারফিউম বাবার কাছে।
—বাবা কী দিলেন, আমি তো ছেলেদের জ্বালায় থাকতে পারছি না!
—দেখি তো পারফিউমটা,
আমার হাতে দে।
—নেন বাবা।
এরপর বাবা পারফিউম নিয়ে উল্টেপাল্টে দেখেন।
—কী বাবা, পারফিউমের মেয়াদ শেষ?
—নাহ! পারফিউম নিতে কি তুই আসছিলি?
—না বাবা। আমার বন্ধু আসছিল।
—নাম কী তোর?
—কাজল।
—বেটা, নাম একটা তোর! এই নামটা মেয়েদেরও হয়। তোর বন্ধু তো বলেনি তুই ছেলে।
—পাল্টে দেন বাবা।
—এইটা একবার ব্যবহার করলে পাল্টানোর সিস্টেম নাই। ৫০ হাজার টাকা দিলে চেষ্টা করতে পারি।
—না দিলে?
—ছেলেরা তোকে জ্বালাতেই থাকবে।
