দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্পষ্ট নির্দেশনার পরেও ফরিদপুরের জেলা আওয়ামী লীগ এক হয়ে সভা করতে পারেনি। শনিবার বেলা ১১টায় শহরের থানার মোড়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জরুরী সভায় উপস্থিত হননি মন্ত্রী গ্রুপের নেতারা। দ্বিধা-বিভক্ত জেলা আওয়ামী লীগকে সচল করতে জেলার তৃণমুল নেতাকর্মীদের ঢাকার গণভবনে ডেকে নিয়ে গত ১ জুন দলীয় সভানেত্রী সবাইকে মিলে-মিশে কাজ করার নির্দেশনা দেন। সে প্রেক্ষিতে শনিবারের জেলা আওয়ামী লীগের এই সভাটি ছিলো বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ।
জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন জানান, বর্তমান ৬৪ সদস্যের জেলা কমিটির সভাপতি কাজী জায়নুল আবেদিনসহ ৩৫ জনই উপস্থিত ছিলো সভায়। ফলে কোরাম সংকট হয়নি। জেলা কমিটির একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন, শুক্রবার দিবাগত রাতে ফরিদপুর আসনের এমপি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর তাকে টেলিফোন করে এ সভায় হাজির না হওয়ার অনুরোধ করেছেন।
কয়েকটি উপজেলাতেও নেতাদের ফোন করে মিটিংয়ে আসতে তিনি (বাবর) বারণ করেছেন বলেও জানা গেছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর সাংবাদিকদের বলেন, মিটিংয়ে যেতে আমরা কাউকে নিষেধ করিনি, তা ছাড়া আমি জেলা কমিটির সদস্যই নই, আমি কিভাবে দলীয় নেতাদের বাধা দেব?
উল্লেখ্য, ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী সমর্থিত গ্রুপ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান লাবলু সমর্থিত গ্রুপে বিভক্ত।
