স্ত্রীর শরীরটা হঠাত্ বেশি রকম খারাপ হয়ে পড়ায় বাধ্য হয়ে মধ্যরাতে পাশের বাড়ির ডাক্তারকে ডেকে আনতে হলো। তিনি চিকিত্সাসেবা দেবার পর লজ্জিত ভঙ্গিতে গৃহকর্তা তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানতে চাইলেন তার ফি কত।
: ছিঃ ছিঃ কেন লজ্জা দিচ্ছেন ভাইসাহেব? প্রতিবেশীর জন্য এটুকু করা তো আমার দায়িত্ব।
কিন্তু গৃহকর্তাও নাছোড়বান্দা তিনি ফি দেবেনই। শেষমেশ তাঁকে নিরস্ত করার জন্য ডাক্তার সাহেব বললেন—আচ্ছা ঠিক আছে, আপনার কাছে আপনার স্ত্রীর মূল্য যতোটা তার সমমূল্যের ফি দিন।
আপনার কাছে পাঁচ টাকার ভাংতি আছে?—গৃহকর্তা হাসিমুখে জানতে চাইলেন।
