যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন ব্যবহারের কথা স্বীকার করলো এফবি আই

আপডেট : ২০ জুন ২০১৩, ২০:৪৪
কিছু নির্দিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নজরদারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের প্রধান (এফবিআই) রবার্ট মুলার। মুলারের এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ড্রোন ব্যবহার করা নিয়ে ওবামা প্রশাসনের চলমান বিতর্ককে আরো উস্কে দিয়েছে। সিনেটের বিচার বিভাগীয় কমিটির প্রশ্নের জবাবে বুধবার মুলার ড্রোন ব্যবহার করার কথা স্বীকার করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অজ্ঞাত বিমান ব্যবহার বৃদ্ধি করার বিষয়টি জানতে চেয়েছিল সিনেটের এই কমিটি। সিনেটের বিচার বিভাগীয় কমিটির শুনানিতে রিপাবলিকান সিনেটর চার্লস গ্রেসলে প্রশ্ন করেন, ‘এফবিআই কি নজরদারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ড্রোন ব্যবহার করছে?’ এর জবাবে ‘হ্যা’ মুলার বলেন, খুবই সূক্ষ্ম উপায়ে এবং কদাচিত্ তা ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘আমি আপনাকে বলবো যে, আমাদের পদক্ষেপ খুবই সীমিত।’ বিষয়টি নিয়ে মুলার বিস্তারিত কোনো কিছু না জানালেও পরে এক বিবৃতিতে এফবিআই জানায়, অজ্ঞাত বিমানগুলো শুধুমাত্র স্থির বিষয়সমূহ নজরদারি এবং আইন-প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের গুরুতর ঝুঁকি এড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিমান উড্ডয়ন কর্তৃপক্ষ এটা অনুমোদন করেছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘আমাদের খুব অল্পসংখ্যক ড্রোন আছে এবং এর ব্যবহারও সীমিত। আমরা শুধুমাত্র ড্রোন ব্যবহার উন্মুক্ত করেনি, এর জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালাও আছে।’ প্রসঙ্গত, মার্কিন সরকার মেক্সিকো সীমান্তে বেশ কয়েক বছর যাবত্ ড্রোন ব্যবহার করছে এবং এটা নিয়ে কোনো ধরনের গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়নি। তবে গত মাসে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এক ভাষণে দেশের বাইরে সামরিক ড্রোন ব্যবহারের পক্ষে বললেও যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে কখনোই দেশের ভিতরে এসব ড্রোন ব্যবহার করা হবে না বলে জানান।