সুনামগঞ্জে বাদামের এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান চাষের চেয়ে সহজ ও পরিশ্রম কম হওয়ায় এবং কম দামে বীজ পাওয়ায় কৃষকরা এখন বাদাম চাষে ঝুঁকছেন। তবে ভাল ফলন হওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত দাম না পওায়ায় কিছুটা হতাশ কৃষকরা। হাওরের জনপদ সুনামগঞ্জে সারা বছর চাষ হয় ধানসহ নানা জাতের মৌসুমী ও বারো মাসি শাক-সবজি। এ এলাকার প্রধান ফসল ধান হলেও এ বছর অনেক চাষি তাদের ধানের জমিতে বাদামের চাষ করেছেন।
এবছর জেলার তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, দোয়ারাবাজার ও সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকার ৬৬১ হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ হয়েছে এবং কোনো প্রকার ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই কৃষক বাদাম তুলতে সক্ষম হয়েছেন। জেলায় এ বছর প্রায় ৫ কোটি টাকার বাদাম উত্পাদন হয়েছে। কৃষকরা জানান, ধান চাষের চেয়ে সহজ ও পরিশ্রম কম হওয়ায় এবং কম দামে বীজ পাওয়ায় কৃষকরা এখন বাদাম চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। এছাড়া ধান চাষ করলে প্রতি বছরই আগাম বন্যায় ফসলের ক্ষতি হয়। কিন্তু বাদাম চাষে অল্পদিনে ফসল ঘরে তুলতে পারেন চাষিরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. এসএম আফসারুজ্জামান জানান, বাদাম চাষে অনেক কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ করে দিয়েছে।
