সাধারণ কোন ডিগ্রী নিয়ে চাকুরীর বাজারে এখন আবেদন করাই যেন বৃথা। এমনকি এমবিএ, বিবিএ সনদ নিয়েও দ্বারে দ্বারে ঘুরছে প্রার্থিরা। ফলে তরুণদের মাঝে বৃদ্ধি পাচ্ছে এক ধরনের অনিশ্চয়তা, হতাশা এবং তারা হচ্ছে বিপথগামী। এই প্রেক্ষাাপটে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের জন্য কর্ম ক্ষেত্রে প্রবল চাহিদা আছে এমন যুগোপযোগি বিষয়ে লেখাপড়ার সুযোগ তৈরী করা জরুরি হয়ে পড়েছে। যেমন কারিগরি বিষয়ে বিভিন্ন ডিপ্লোমা ও বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সসমূহ এবং মেডিকেল টেকনোলজির ডিপ্লোমা ও বিএসসি পর্যায়ের উচ্চতর কোর্স- অংশগ্রহণের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশ ও আন্তর্জাতিক বাজারে।
বর্তমানে মেডিকেল টেকনোলজিষ্টদের সারা বিশ্বে, বিশেষকরে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোতে স্বাস্থ্য সেবা খাতে দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের চাহিদা এখন প্রকট। কারণ, চিকিত্সা সেবা খাতটি কেবল চিকিত্সকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই খাতকে সচল রাখতে এর সঙ্গে ডাক্তার ব্যতীত আরো কাজ করেন যেমনি সেবিকাগণ তেমনি ল্যাবে বসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মেডিকেল টেকনোলজিস্টগণ। সঠিক রোগ নির্নয়ের ক্ষেত্রে যাদের ভূমিকা ও গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষকরে এদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সাথে জড়িয়ে আছে প্রকৃত রোগ নির্ণয় তথা সুচিকিত্সা প্রাপ্তীর বিষয়টি। ফলে মানসম্পন্ন চিকিত্সা তথা উন্নত স্বাস্থ্য সেবার বিষয়টি চিকিত্সকদের পাশাপাশি দক্ষ সেবিকা ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। তাই শিক্ষার্থীদের বলব যুগের চাহিদা অনুধাবন করে বাস্তবমুখি শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
