মোরেলগঞ্জে দুই ইউনিয়নের মাঝে ঝুঁকিপূর্ণ পুল

আপডেট : ১১ মে ২০১৯, ২২:০৬

শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

মোরেলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ ও তেলীগাতি দুই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী খালের জরাজীর্ণ পুলটি দিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার পথচারী।

সরেজমিনে দেখা যায়, পঞ্চকরণ ইউনিয়নের উত্তর কুমারিয়াজোলা গ্রাম ও তেলীগাতি ইউনিয়নের হেড়মা বাজারসহ দুই গ্রামের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এ কাঠের পুলটি। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়। কোন ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দে এ পুলটি নির্মিত হবে এ নিয়ে চলছে দুই ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের টানাপড়েন। আর এটিই পুলটি নির্মাণে দীর্ঘসূত্রিতার কারণ বলে এলাকাবাসীর ধারণা।

এইচ কে মিস্ত্রী ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল কুমার হাজড়া ও উত্তর কুমারিয়াজোলা গ্র্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনাধি মল্লিক বলেন, এ ঝুঁকিপূর্ণ পুলটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীসহ তিন-চার হাজার মানুষ পারাপার হয়। 

পুলটির একপাড়ের তেলীগাতি ইউনিয়নের সুরেন্দ্র নাথ স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়, জনশক্তি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও অপরপ্রান্তে পঞ্চকরণ ইউনিয়নের পাঁচগাঁও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হেড়মা বাজার, মসজিদ তিনটি, মন্দির তিনটিসহ একাধিক জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তা সত্ত্বেও এ পুলটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণভাবে পড়ে রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ছোট ছোট স্কুল শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয় এ পুলটি। পঞ্চকরণ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার বলেন, হেড়মা ও কুমারিয়াজোলা সীমান্তবর্তী পুলটি ইতিপূর্বে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ থেকে কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। কালভার্টের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে।

তেলীগাতি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোর্শেদা আক্তার বলেন, দু’টি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এ পুলটি তেলীগাতি ইউনিয়নের আওতায় নয়। পুলটি পঞ্চকরণ ইউনিয়নের আওতায় পড়েছে সেক্ষেত্রে ওই ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দেই মেরামত করার কথা।