রাজশাহীতে বিজিবি ও বিএসএফের সম্মেলন

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৩, ২০:৩৯
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোটায় নামাতে চায় ভারত। এজন্য বিজিবি-বিএসএফ যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল সান্তোষ মেহেরা। বুধবার রাজশাহীতে বিজিবির যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধিনায়ক এবং বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ও নর্থ বেঙ্গলের মধ্যে আঞ্চলিক সীমান্ত সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার মহানগরীর বিজিবি পার্টিপয়েন্ট কমিউনিটি সেন্টারে রাজশাহী সেক্টর কমান্ডের এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ভারতের আইজি পর্যায়ের ২৫ সদস্য দলের নেতৃত্ব দেন বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল সান্তোষ মেহেরা ও নর্থ বেঙ্গলের ইন্সপেক্টর জেনারেল সনজিব কৃষাণ সুধ। বাংলাদেশের রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবির রংপুর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফিরোজ রহিম ও যশোর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রবিউল ইবনে কামরুল। সম্মেলন শেষে সান্তোষ মেহেরা বলেন, আগের চেয়ে দুই দেশের সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কমেছে। অতীতের বিছিন্ন ঘটনার জন্য আমরা অনুতপ্ত। সীমান্তে যেন আর কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমরা দুই পক্ষই সচেতন। ফলে সীমান্তে যেন কোনোভাবেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত না নয় সেজন্য আমরা সচেষ্ট। বেনাপোলে পতাকা বৈঠক এদিকে বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা জানান, বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি বিজিবি ক্যাম্প অডিটোরিয়ামে বুধবার বিজিবি ও বিএসএফর কমান্ডিং অফিসার পর্যায়ে ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দলের এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ২৩ বিজিবি কমান্ডার লেঃ কর্ণেল তায়েফুল হক। এসময় তার সাথে ছিলেন ২৬ বিজিবি কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মতিউর রহমান, উপ-অধিনায়ক মেজর রায়হান ও বেনাপোল কোম্পানী সদরের সুবেদার হুমায়ন কবির। অপরদিকে ভারতীয় ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ৪০ বিএসএফর অধিনায়ক কর্নেল দিনেশ মর্মু, উপ-অধিনায়ক শ্রী সুমন কুমার ও স্টাফ অফিসার সুজন কুমার ও গোয়েন্দা পরিদর্শক রনজিত সিংহসহ অন্য কর্মকর্তারা।