স্নোডেনের ব্যাপারে ইকুয়েডরকে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৩, ২১:০২
মস্কোর একটি বিমানবন্দরে লুকিয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোয়েন্দা স্নোডেনকে আশ্রয় দেয়ার ব্যাপারে ইকুয়েডরকে হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির রাজনীতিবিদরা জোরালোভাবে জানিয়েছে, স্নোডেনকে আশ্রয় দিলে ইকুয়েডরের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে। গত বুধবার ইউএস সিনেটের আন্ত-র্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান রবার্ট মেনেন্দেজ বলেন, তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া হলে ইকুয়েডরের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে যে সুবিধা দেয়া হয় তা প্রত্যাহার করা হবে। তিনি বলেন, দেশটিকে দেয়া জিএসপি ও অন্যান্য সুবিধার মেয়াদ যাতে বাড়ানো না হয় সেজন্য তিনি উদ্যোগ নেবেন। ইকুয়েডর আন্দিয়ান ট্রেড প্রোগ্রামের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে তেল,ফুল,ফল,সবজি ও টুনা মাছ রপ্তানি করে থাকে। স্নোডেন মস্কোর সেরিমেতিয়েভো বিমানবন্দরের ট্রানজিট এলাকায় অবস্থান করছেন। এদিকে হংকং জানিয়েছে, বিদ্যমান আইনের কারণে তাদের পক্ষে স্নোডেনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জে কারণে বলেছেন এই ঘটনা চীনের নতুন সরকারের সাথে আস্থার সম্পর্ক স্থাপনে বাধা সৃষ্টি করবে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভেরভ বলেছেন পুতিন স্নোডেনকে যত দ্রুত সম্ভব অন্য কোন দেশের উদ্দেশ্যে চলে যেতে বলেছেন। কিন্তু ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দুই মাস সময় লেগে যাবে। তিনি বলেন, অ্যাসাঞ্জের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে আমাদের দুই মাস সময় লেগেছিল তাই সেসময়ের আগেই স্নোডেনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে সে ধারণা করা ঠিক হবে না। এদিকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বুধবার বলেছেন, তিনি নিশ্চিতভাবেই স্নোডেনকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেবেন। তিনি বলেন, সে আশ্রয় চাইলে আমরা তাকে তা দিতাম কারণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসের পর স্নোডেন প্রথমে হংকং পরে রাশিয়ায় যান। তবে রাশিয়া তাকে আশ্রয় দেবে সে ধরনের কোন লক্ষণ এখনও দেখা যায়নি।