গোবিন্দগঞ্জে হুমকির মুখে আশাদহ ব্রিজ

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৩, ২০:৩৩
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে একটি প্রভাবশালীমহল আশাদহ ব্রিজের নিচ থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলন করায় হমকি মুখে পড়েছে ব্রিজটি। এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে এখান থেকে বালু তোলা হচ্ছে। এতে করে যে কোন মুহূর্তে এই ব্রিজটি দেবে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। ব্রিজটি দেবে গেলে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। উপজেলা শালমারা ইউপির উলিপুর পাছপাড়া গ্রামের আঃ ছালামের ছেলে শাহ আলম দীর্ঘদিন থেকে দামগাছা খালের উপর নির্মিত আশাদহ ব্রিজের নিচে শ্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলনের কারণে ব্রিজের আশপাশের ফসলি জমি ভেঙ্গে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এভাবে বালু উত্তোলন করা হলে অল্পদিনের মধ্যে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজটি ধসে সড়ক যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। খড়খড়িয়া নদীর বালু উত্তোলন অব্যাহত সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে প্রবাহিত খড়খড়িয়া নদী। খরস্রোতা এ নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। এতে করে ১২ কিলোমিটার শহর রক্ষা বাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। ইতোমধ্যে বাঁধের কোনো কোনো জায়গায় ফাটলও দেখা দিয়েছে। জানা যায়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সৈয়দপুর বিভাগের আওতায় শহরের উত্তর-পশ্চিম অংশে খড়খড়িয়া নদীতে ২৫ কিলোমিটার শহর রক্ষা বাঁধ রয়েছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের আগেই ওই বাঁধ সংস্কার হয়ে থাকে। কিন্তু গত ২০১০ সাল থেকে শহর রক্ষা বাঁধটির কোন সংস্কার করা হয়নি। এর উপর এক শ্রেণির অর্থলোভী বালু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে। নদী থেকে বালু তুলে আবার শহর রক্ষা বাঁধ দিয়ে ভারি ট্রাক্টরে করে নির্বিঘ্নে গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর পাউবো বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস শহিদ জানান, প্রশাসনের সহায়তায় আমরা ওই এলাকায় বহুবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। যারা বালু উত্তোলনে জড়িত সেই মূল হোতাদের ধরা না গেলে এসব কাজ বন্ধ করা যাবে না।