এডওয়ার্ড স্নোডেনের ইকুয়েডরে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবারও ধোঁয়াশা কাটেনি। আমেরিকায় ফোন ও নেটে আড়িপাতার বন্দোবস্তের কথা ফাঁস করে দিয়েছেন গুপ্তচর সংস্থা এনএসএ-র প্রাক্তন কর্মী স্নোডেন। কিউবা হয়ে ইকুয়েডরে যাওয়ার পথে এখন মস্কোর বিমানবন্দরে তিনি। পাঁচ দিন কাটিয়েছেন বিমানবন্দরের ‘ট্রানজিট লাউঞ্জেই’।— খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
প্রথমে ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিকার্ডো প্যাটিনো জানান, স্নোডেনকে আশ্রয় দেয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক মাস লাগতে পারে। পরে আবার তিনি জানান, তার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। এক দিনেও ওই বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। ইতিমধ্যে আশ্রয়ের জন্য স্নোডেনকে দেয়া ইকুয়েডরের একটি অনুমতিপত্র প্রকাশ করে একটি টিভি চ্যানেল। পরে ইকুয়েডর সরকার জানায়, ওই অনুমতিপত্রের কোনও মূল্য নেই। কেউ তা দিয়ে থাকলে গোলমালের দায়িত্বও তাকেই সামলাতে হবে।
আবার রুশ সরকারের এক কর্মকর্তার দাবি, মস্কো ছেড়ে কিউবা বা অন্য কোথাও যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্নোডেনের নেই।
