ইতালি ও উরুগুয়ে সান্ব্তনার জয় নিয়ে দেশে ফেরার লক্ষ্যে আজ রবিবার কনফেডারেশন্স কাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষ করে যখন সেমিফাইনালে হেরে দু’টি দলই আশাহত।
উরুগুয়ে অবশ্য শারীরিকভাবে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামছে। প্রথম সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে গিয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নরা। এর ২৪ ঘন্টা পর গত বৃহস্পতিবার ফোর্তালেজায় ইতালি স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই শেষে পেনাল্টিতে ৭-৬ গোলে বিশ্বকাপ ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী স্পেনের কাছে হেরে যায়। সঙ্গত কারণেই ইতালি থেকে একদিন বেশি হাতে পেয়েছে উরুগুয়ে।
ইতালির কোচ সিজার প্রাণদেল্লি এক খেলা থেকে আরেকটিতে যাওয়ার আগে খেলোয়াড়দের সারিয়ে তোলার সময় স্বল্পতার বিষয়টি নিয়ে বিশেষভাবে উদ্বেগ জানিয়ে আসছিলেন। এছাড়া স্পেনের বিপক্ষে ১২০ মিনিট খেলতে হয়েছে ইতালিকে। এছাড়া আবহাওয়া ছিল প্রতিকুল। প্রাণদেল্লি এমনকি এই টুর্নামেন্টে ফরমেট পরিবর্তনের সুপারিশও করেছিলেন। কারণ দলগুলো যেন নিজেদের মানিয়ে নিতে আরো সময় পায়। এদিকে ইতালির সেন্টার ব্যাক গিওরজিও চিল্লিনি স্পেনের ম্যাচের পর রাই স্পোর্টকে জানিয়েছিলেন শেষদিকে তার নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হয়েছিল।
এদিকে আজ এরেনা ফন্টে নোভায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি শুরু হবে স্থানীয় সময় বেলা ১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা)। তখন সালভাদোরের তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতা থাকবে ৭৫ শতাংশ। ইতালির অধিনায়ক জিয়ানলুইজি বুফন উরুগুয়ের ম্যাচটিকে গুরুত্বের সাথেই নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘ফাইনাল হতে পারতো অসাধারণ। আপনি প্রতিদিন মারাকানায় খেলার সুযোগ পাবেন না। এখন আমরা উরুগুয়ের বিপক্ষে নিজেদের উজার করে দেবো। কারণ আমাদের ছুটির দিন এখনো শুরু হয়নি।’ স্পেনের স্নায়ুক্ষয়ী ম্যাচের জন্য বিপাকে রয়েছেন প্রাণদেল্লি। ইতালির সংবাদ মাধ্যম জানায় চিল্লিনি, আন্দ্রে পিরলো, ক্লডিও মারসিসিও, ড্যানিয়েল ডি রসি এবং আন্দ্রে বারজাগলি রবিবারের ম্যাচে ইনজুরি নয়তো ক্লান্তির জন্য হয়তো খেলবেন না। স্ট্রাইকার মারিও বালোতেল্লি এবং রাইট ব্যাক ইগনাজিও অ্যাবেট টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েছেন আগেই। কিন্তু উরুগুয়ের স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ বিশ্বাস করেন আজ্জুরিরা ভয়ঙ্কর। তিনি বলেন, ‘বালোতেল্লি ছাড়াও তারা ভয়ঙ্কর। তাদের বেশ কয়েকজন মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে যেমন (সেবাস্তিন) গিওভিঙ্কো। আমাদের সুযোগ নিতে হবে নইলে তারা আমাদের উল্টো বিপাকে ফেলতে পারে।’
