বছরের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম উইম্বল্ডনের মাত্র একটি সপ্তাহ গড়ালেও এরই মধ্যে অ্যান্ডি মারেকে পুরুষ এককের সম্ভাব্য ফাইনালিস্ট হিসেবে মনে করছেন টেনিসের জীবন্ত কিংবদন্তি জন ম্যাকেনরো। এক্ষেত্রে টুর্নামেন্ট থেকে এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন শীর্ষ বাছাইয়ের বিদায় এবং অল ইংল্যান্ড ক্লাবে মারের অভিজ্ঞতার বিষয়গুলোকে বিবেচনা করছেন তিনি। টানা তৃতীয় ম্যাচে সরাসরি সেটের জয়ে মারে গত শুক্রবার টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোতে পা রেখেছেন। অন্যদিকে গতকাল শনিবার নিজ নিজ খেলায় জয় পেয়েছেন ফার্নান্দো ভার্দেসো, মিখাইল ইয়ুজনি এবং পেত্রা ভিতোভা।
টুর্নামেন্ট থেকে এরই মধ্যে বিদায় নিয়েছেন রাফায়েল নাদাল, রজার ফেদেরাররা। দ্বিতীয় বাছাই মারের সাথে একই গ্রুপে ছিলেন তারাও। অর্থাত্ সেমিফাইনালেই এই দুইজনের একজনকে মোকাবেলা করতে হতো তার। সুতরাং তারা না থাকায় টানা দ্বিতীয় বারের মতো উইম্বল্ডনের ফাইনালে খেলা এখন অনেকটাই মসৃণ হয়ে গেলো মারের জন্য। ব্রিটিশদের ৭৬ বছরের গ্র্যান্ড স্ল্যাম বন্ধ্যাত্ব ঘোচানো এই স্কটিশ তারকার ব্যাপারে ম্যাকেনরোর ভাবনাটা এমনই। তবে পাশাপাশি তিনি এটাও বলেছেন, এই ব্যাপারটাই মারের জন্য চাপ হয়ে আসতে পারে। বিবিসি স্পোর্টসকে এই সাবেক উইম্বল্ডন চ্যাম্পিয়ন তার বিশ্লেষণে বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আমি ভেবেছিলাম এবার মারের উপর চাপ কিছুটা কম থাকবে। কারণ, সে এরই মধ্যে একটা গ্র্যান্ড স্লাম এবং উইম্বল্ডনে অলিম্পিক স্বর্ণ জিতেছে; কিন্তু হঠাত্ করেই এখন মনে হচ্ছে, তাকে অন্তত ফাইনালে খেলতেই হবে! আমার মনে হয় তার এবং জোকোভিচের মধ্যকার ফাইনালটা দুর্দান্ত একটা ম্যাচ হবে। অন্যান্য খেলোয়াড়ের উপর শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, এটা হলে আমি খুশিই হবো।’
ম্যাচ শেষে চাপের ব্যাপারটা স্বীকার করলেন মারে নিজেও। তিনি বলেন, ‘ড্রটা যেভাবে কাজ করেছে তাতে মানুষের প্রত্যাশার চাপ আরো বেশি করে আমার কাঁধে চেপে বসেছে। আমার মনে হয়, আমি যদি ম্যাচ ধরে ধরে এগোই তাহলে সেটা আমার জন্য সহজ হবে। কারণ, অঘটন ঘটা মোটেই কঠিন কিছু নয় এবং আপনাকে সব সময়ই ম্যাচের দিকে মনোযোগী হতে হবে।’
