হকির দলবদল স্থগিত

আবারও ফুঁসছেন খেলোয়াড়রা

আপডেট : ৩০ জুন ২০১৩, ২২:২৪
হকি খেলোয়াড়দের দলবদল স্থগিত করা হয়েছে। নতুন কমিটি দায়িত্ব নিতে না পারার কারণে হকি ফেডারেশনের এডহক কমিটি ঘোষিত ২-৪ জুলাই এর দলবদল অনুষ্ঠিত হচ্ছে না বলে গতকাল হকি ফেডারেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এ সিদ্ধান্তে ফুঁসে উঠছে জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা খেলোয়াড়রা। তারা আবার ক্যাম্প বর্জন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্প বর্জন করা ছাড়া আর কিই বা উপায় আছে বলুন?’ আজ সকালে হকি স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে দুপুরে খেলোয়াড়রা বসে একটা সিদ্ধান্ত নেবেন। হকি খেলোয়াড়রা আগেই নির্ধারিত সময়ে দলবদল হবে না বলে শংকা প্রকাশ করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে জাহিদ বলেন, ‘তারা (কর্মকর্তারা) চেয়ারের জন্য কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করবে আর তাতে ক্ষতি হবে হকির। আমাদের ক্যারিয়ার ধ্বংস হবে। এটা কাম্য হতে পারে না।’ দলবদলের ব্যাপারে হকি ফেডারেশন থেকে গতকাল দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-‘ফেডারেশনের নির্বাচিত কমিটি এখন পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত না হওয়ায় প্রিমিয়ার বিভাগ হকি লিগের দলবদল পূর্বনির্ধারিত তারিখে করা সম্ভব হচ্ছে না। নির্বাচিত কমিটি দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরই এ বিষয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ অন্তর্বতীকালীন সাধারণ সম্পাদক শাফায়াত হোসেন ডালিম অবশ্য বলেছেন, ‘আমরা দলবদল করতে পারছি না বলে স্থগিত করেছি। কারণ কয়েকটি ক্লাব দলবদলে আসতে চাইছে না বলে সমস্যা হচ্ছে। একটা দল না আসলেও দলবদল কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ হয় না। আমরা চাই হকির স্বার্থে সবাইকে নিয়ে দলবদল অনুষ্ঠিত হোক। নতুন কমিটি আসুক তারা ক্লাবগুলোর সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধান করতে পারবে বলে মনে করি।’ খাজা রহমতউল্লার প্যানেল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও ভোটার তালিকায় একজন কাউন্সিলরের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আদলতে রিট হওয়ায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গতকাল পর্যন্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। ক্রীড়া পরিষদের নির্বাচন কমিশনার হাইয়ুল কাইউম গতকাল জানিয়েছেন, দুই-একদিনের মধ্যেই তারা প্রজ্ঞাপন জারি করবেন। তিনি বলেন, ‘আইনগত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।’