ভালো ফলাফলের পেছনে আমার চেষ্টাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৩, ১৮:০৮
আমি ২০১২ সালে পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার অন্যতম বিদ্যালয় কালেক্টরেট (করতোয়া) আদর্শ শিক্ষা নিকেতন থেকে ২০১২ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ এবং ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিও পেয়েছি। আমার এ ভালো ফলাফলের পেছনে আমার চেষ্টাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ভালো ফলাফলের পেছনে আমার প্রিয় শিক্ষক জনাব রামেন্ড চন্দ্র পাল স্যারের ঐকান্তিক সহযোগিতাও কাজে এসেছে। এখনও আমি প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠে হাত মুখ ধৌত করে নাস্তা সেরে পড়তে বসি। এরপর স্কুলে গিয়ে আমার বন্ধুদের সাথে পড়াশোনার ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা করি। দুপুরে স্কুল থেকে ফিরে এসে বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করি। সন্ধায় বাড়ি ফিরে পুনরায় লেখাপড়া মনোযোগ দেই। লেখাপড়া শেষে ভাত খেয়ে টেলিভিশন দেখে ঘুমাই। আমি কখনও লেখাপড়ায় ফাঁকি দেই না। সমাপনী পরীক্ষার আগে বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বারবার দেখে নিতাম এবং সহজপ্রশ্নের উত্তরগুলো আগে লেখে ফেলতাম। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আর ওই বিষয় নিয়ে কোন চিন্তা করতাম না। পরবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতাম। এছাড়া সঠিকভাবে ও নিয়মানুযায়ী লেখাপড়া করা, শিক্ষকদের প্রত্যেকটি নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করা, দিনের পড়া দিনে শেষ করা। অর্থাত্ সময়ের কাজ সময়েই শেষ করাই আমার ভালো ফল এনে দিয়েছে। আমি সর্বক্ষণই মনোযোগ সহকারে পড়ালেখা করি। সৃজনশীল প্রশ্নের বোর্ড বই এর পাঠগুলো আগে ভালোভাবে বুঝে নেই এবং তা বারবার পড়ি। নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের জন্য বোর্ড বইয়ের লাইন বাই লাইন বারবার পড়ি। গণিতের সমস্যাগুলো বারবার খাতায় করে নেই এবং বন্ধু-বান্ধবদের সাথে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করি। সমস্যা হলে তা শ্রেণিশিক্ষক এর কাছ থেকে বুঝে নেই। আমি ইংরাজি গ্রামার ও বাংলা ব্যকরণে নিয়মগুলো ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে আয়ত্ব করি। আমার যদি কোন বিষয়ে সমস্যা দেখা দেয়, তাতে আমি ভেঙ্গে পরি না, ভয়ও করি না। সহজ-সরল মানসিকতা নিয়ে বিষয়টির মাঝে আনন্দ খুঁজি একঘেয়েমী দূর করার জন্য আমি প্রতিদিন বিকালে নিয়মিত খেলাধুলা করি। অবসর সময়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান অথবা আনন্দদায়ক বই পড়ি।