২০১৩ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি

আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৩, ১৯:৫২
বাংলা হিমন এডওয়ার্ড গমেজ সহকারি শিক্ষক সেন্ট গ্রেগরীজ হাই স্কুল,ঢাকা কাঁকনমালা আর কাঞ্চনমালা বাক্য গঠন: আকুল- ছোট ছেলেটি তার মাকে আকুল হয়ে খুঁজছে। আষ্টেপৃষ্টে- চোরটিকে আষ্টেপৃষ্টে প্রহার করা হলো। গর্দান- মিথ্যা বলার অপরাধে লোকটির গর্দান কাটা গেল। গর্জে ওঠা- চিড়িয়াখানায় গিয়ে বাঘের গর্জে ওঠার জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। স্বাদ- মায়ের হাতের রান্নার স্বাদই আলাদা। বিস্বাদ- লবণ ছাড়া বিস্বাদ হয়ে যায়। পুঁটুলি- গরিব মহিলাটির সাথে একটি পুঁটুলি ছিল। ফরমাস- গুরুজনদের ফরমাস মেনে চলা উচিত। ঘোর- রহিম হঠাত্ করে ঘোর বিপদে পরেছে। আঁস্তাকুড়- আমাদের অবশ্যই আঁস্তাকুড়ে ময়লা ফেলা উচিত। ফুরসত- গ্রীষ্মের ফুরসতে আমি মামার বাড়িতে যাব। টনটন- ব্যাথায় আমার শরীর টনটন করছে। চিনচিন-হঠাত্ করে আমার মাথা চিনচিন করছে। মায়াবতী-মাদার তেরেসা একজন মায়াবতী ছিলেন। কাঁকন- আমার বাবা আমার মাকে দুটি কাঁকন কিনে দিলেন। দম্ভ- দম্ভের ফলেই আজ তার পরাজয় হয়েছে। রক্ষী- সেনা সদস্যরা দেশের রক্ষী হিসেবে কাজ করেন। পরস্পর- আমরা পরস্পর সাহায্য সহযোগিতা করব। জেরবার- বিপদে জেরবার হলে চলে না। এই দেশ এই মানুষ ১। আমাদের সৌভাগ্য কী? উত্তর : আমরা বাংলাদেশের জন্মেছি। ২। আখাউড়া স্টেশন থেকে সীমান্তের দুরত্ব কত কিলোমিটার? উত্তর: চার/ পাঁচ কিলোমিটার। ৩। আখাউড়া সীমান্তের ওপারে ভারতে কোন রাজ্য অবস্থিত? উত্তর: ত্রিপুরা রাজ্য। ৪। ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষেরা কোন ভাষায় কথা বলে? উত্তর: বাংলা। ৫। বাংলাদেশে বাস করে কয়েকটি ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর নাম লিখ? উত্তর: চাকমা, গারো, সাঁওতাল, ত্রিপুরা, মুরং, তংচঙ্গা ইত্যাদি। ৬। কোন কোনো দেশের সুখ্যাতি হয়? অনুধাবন উত্তর: যখন কোনো দেশে নানান ধরনের জাতির মানুষ থাকে। ৭। কীসের মধ্যে আমাদের আনন্দ? অনুধাবন উত্তর: এই যে মিলেমিশে বন্ধুর মতো বসবাস করছি। ৮। বাংলাদেশে কোন কোন ধর্মের মানুষ বাস করে? উত্তর: মুসলমান, বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টান ও জৈন। ৯। আমরা সবাইকে শ্রদ্ধা করবো ও ভালোবাসো কেন? অনুধাবন উত্তর: সবাই আমাদের আপনজন। ১০। মুসলমানদের কয়টি ঈদ? উত্তর: দুইটি। ১১। হিন্দুদের কয়টি র্পাবণ? উত্তর: বারো মাসে তের পার্বণ। ১২। খ্রিস্টানদের উত্সবের নাম লিখ? উত্তর: ইস্টার সানডে, বড়দিন। ১৩। বাঙালি হলেও কাদের নিজস্ব ভাষা আছে? উত্তর: চাকমা, ত্রিপুরা, সাঁওতালদের। ১৪। দেশ বলতে কী বুঝ? অনুধাবন উত্তর: দেশ মানে এর মানুষ, জনপদ, নদী, আকাশ, প্রান্তর, পাহাড়, সমুদ্র এইসব। দেশ হলো আসলে জননীর মতো। ১৫। দেশকে মায়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে কোন? অনুধাবন উত্তর: মা যেমন স্নেহ মমতা ভালোবাসা দিয়ে আমাদের আগলে রাখেন, দেশও তেমনই তার আলো বাতাস সম্পদ দিয়ে আমাদেও বাঁচিয়ে রেখেছে। ১৬। কীসের মধ্য দিয়ে সার্থক হয়ে আমাদের জন্ম? উত্তর: দেশকে ভালোবাসার মাধ্যমে। বাক্য গঠন কর: সৌভাগ্য, সীমান্ত, সংখ্যাগরিষ্ঠ, দৈনন্দিন বৈচিত্র্য, সুখ্যাতি, বেলাভূমি- প্রান্তর, স্বজন- স্বার্থক-জনপদ- পাঠ্যবইয়ের বিপরীত শব্দ বাঙালি- অবাঙালি, দূরে- নিকটে, সংখ্যাাগরিষ্ঠ- সংখ্যালঘিষ্ঠ, বন্ধু- শত্রু, শ্রদ্ধা- অশ্রদ্ধা, দেশ- বিদেশ, সার্থক- ব্যর্থ বিজ্ঞান প্রিয় শিক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা জানবে, এতদিনে তোমাদের প্রতিটি অধ্যায় পড়া শেষ হয়ে গেছে নিশ্চয়। এখন রিভিশন দেয়ার পালা সবোর্চ্চ প্রস্তুতির জন্য আজ বিজ্ঞান বিষয়ের প্রথম অধ্যায়ের রচনামূলক প্রশ্ন উত্তরসমূহ দেওয়া হলো। তোমাদের প্রস্তুতিকে সুদৃঢ় করার জন্য অবশ্যই পাঠ্যবইটি ভালোভাবে পড়তে হবে। জীব ও আমাদের পরিবেশ ১। পরিবেশের ওপর জীবের নির্ভরশীলতা দুটো উদাহরণ দাও। উত্তর: উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য মাটি, পানি ও বায়ুর গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবেশের প্রতিটির জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে পরিবেশের উপর নির্ভরশীল। পরিবেশের ওপর জীবের নির্ভরশীলতার দুটো উদাহরণ নিম্নরূপ: উদাহরণ ১: প্রত্যেক জীবের শ্বাসকার্য পরিচালনার জন্য প্রয়োজন অক্সিজেন। আর এ অক্সিজেনের জন্য জীব পরিবেশের উপাদান বায়ু ও উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। উদাহরণ ২: প্রত্যেক জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন পানি। আর এ পানির জন্য জীব পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা আমাদের সকলকেই করতে হবে। কারণ আমাদের বেঁচে থাকার জন্য আমরা সরাসরি পরিবেশে উপর নির্ভরশীল। তাই আমাদের বেঁচে পরিবেশ রক্ষা করার জন্য সচেতন থাকতে হবে। খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজালের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর? উত্তর: উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য মাটি, পানি ও বায়ুর গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবেশের প্রতিটির জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে পরিবেশের উপর নির্ভরশীল। নিন্মে খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল সর্ম্পকে আলোচনা করা হল— খাদ্যশৃঙ্খল: সবুজ উদ্ভিদ খাদ্য উত্পাদন ও সংরক্ষণ করে। এই সবুজ উদ্ভিদ খায় ছোট ছোট প্রাণী। আবার ছোট প্রাণীকে খায় খাদ্যশৃঙ্খল: খাদ্যজাল: ১. খাদ্যশৃঙ্খল হল খাদ্য এবং খাদকের সর্ম্পক। ১. খাদ্যজাল হল অনেকগুলো খাদ্যশৃঙ্খলের পারস্পরিক সর্ম্পক। ২. এটি বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে পারস্পরিক ২. এটি বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতাকে প্রকাশ করে না। ৩. একটি পরিবেশে কয়েকটি খাদ্যশৃঙ্খল থাকতে পারে। ৩. একটি পরিবেশে একটি খাদ্য জাল থাকে। ৪. খাদ্যশৃঙ্খলে দুই বা ততোধিক খাদক থাকে। ৪. খাদ্যজালে দুই বা ততোধিক খাদ্যশৃঙ্খল থাকে। বড় প্রাণী। এভাবে পরিবেশের খাদ্য ও খাদকের মধ্যে যেসব ধারাবাহিকতা বিদ্যমান তাকেই খাদ্যশৃঙ্খল বলে। খাদ্যজাল: কোনো পরিবেশে অনেকগুলো খাদ্যশৃঙ্খল বিদ্যমান থাকতে পারে। এ খাদ্যশৃঙ্খলগুলো একটি অন্যটির সাথে সম্পর্কযুক্ত। পরিবেশের এটাই খাদ্যজাল নামে পরিচিত।