এএমই’র অর্থ এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার। এএমই লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি উড়োজাহাজে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করে। বিশেষ করে অ্যারোপ্লেন উড্ডয়নের আগে এর সব সিস্টেম ঠিক আছে কি না তা সম্পর্কে পাইলটরা সব ধরনের তথ্য নিয়ে থাকে তার কাছ থেকে। উড়োজাহাজের যাত্রী এবং পাইলটদের জীবন ও তাদের নিরাপদে পৌঁছানো অনেকটা নির্ভর করে এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারের উপর। কেননা সে যদি কোনো ভুল তথ্য দিয়ে থাকে তবে উড়োজাহাজ নিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছানো দুরূহ বিষয় হয়ে পড়ে। এই ডিগ্রির আর কিছু নাম আছে যেমন, অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, উড়োজাহাজ প্রকৌশলী ইত্যাদি। প্রথম যে দিন থেকে উড়োজাহাজ চলা শুরু হয়েছে সে থেকেই প্রয়োজন হয়েছে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের। সময়ের সাথে ঘটছে শিল্পের বিকাশ আর সাথে সাথেই বিশ্ব জুড়ে ব্যাপকসংখ্যক ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজন পড়ছে প্রতিনিয়ত। আমাদের দেশে এই বিষয়টি অনেকের জন্য নতুন মনে হতে পারে। কিন্তু এএমই লাইসেন্স অর্জনে এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে সম্প্রতি বেশ অল্প খরচেই এই বিষয়ে এখন পড়ালেখা করা যায়। ০১৯৩৭১৮২৪৭০, ৮৯৯১৩৭১ নম্বরে ফোন করে এসব বিষয়ে আরও তথ্য জেনে নিতে পারবেন।
এয়ারলাইন্সে শিল্পে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা এতটাই বেশি, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পূর্বেই চাকরি পেয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে। এভিয়েশন সেক্টরকে তুলে ধরতে যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবোর্ড এডেক্সলে কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজি (ক্যাটেক ) এএমই লাইন্স পেতে ন্যাশনাল ডিপ্লোমা এবং হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করছে। কলেজটির প্রথম ব্যাচের কয়েকশ শিক্ষার্থী ইংল্যান্ড, আমেরিকা, কানাডা, জার্মান, আয়ারল্যান্ডসহ উন্নত বিশ্বে চাকরি/ইন্টার্নি করতে চলে গেছে। তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যাচ্ছে দু’এক মাস পরেই।
এসএসসি/এইচএসসি, এ-লেভেল/ও-লেভেল সম্পন্নকারীরা এই কোর্সটি করতে পারবে। চার বছরে বিটেক এডেক্সেলের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অর্নাস ডিগ্রি অর্জন করতে পারে। এই কোর্সের খরচও অনেক কম। আর বিদেশে ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগটাও গ্রহণ করতে পারে শিক্ষার্থীরা।
যোগাযোগ :বাড়ি-১৪, রোড-২, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা।
