জিমির সুযোগ বাড়লো জার্মানিতে

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০১৩, ২২:০০
বাংলাদেশের হকি তারকা রাসেল মাহমুদ জিমি আগামী মৌসুমে জার্মানির বুন্দেস লিগের লিগ টুতে খেলবেন। আগামী সেপ্টেম্বরে নতুন মৌসুম শুরু হবে এবং তাতে জিমির দল রট-ওয়েস মিউনিখ নিচের বিভাগ থেকে ওঠার সুবাদে এ লিগে খেলার সুযোগ পেয়েছে। জিমির দল রট-ওয়েস মিউনিখ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বুন্দেস লিগ টু পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে। হোম এন্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে লিগে রট-ওয়েস মিউনিখ নয়টি ম্যাচ খেলেছে। সব কটি ম্যাচ খেলে তিনি গোল করেছেন সাতটি। জাতীয় দলের এই ফরোয়ার্ড গতকাল জানিয়েছেন এর মধ্যে তার গোলে রট-ওয়েস ম্যাচ জিতেছে। জার্মানি থেকে মঙ্গলবার ঢাকায় ফিরে হকির সাবেক তারকা সোনা মিয়ার ছেলে রাসেল মাহমুদ জিমি এসব তথ্য জানান। জিমি যেন বর্তমান ক্লাব ছেড়ে জার্মানিতে অন্য কোনো দলে না যোগ দেন সে জন্য দলের কর্মকর্তারা আগাম কথা বলে রেখেছেন তার সাথে। কারণ বুন্দেস লিগ টু পর্বের অন্যান্য ক্লাবও তার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ব্যাপারে জিমি বলেন, ‘আমি অন্য কোনো ক্লাবে খেলব না বলে কথা দিয়েছি।’ জিমি জানালেন জার্মানিতে বাংলাদেশের হকি খেলোয়াড়দের কদর বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি একটু ভালো খেলতে পারি তাহলে সেখানে আমাদের বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের সামনের কাতারে দাঁড়ানোর সুযোগ হয়’। ম্যাচে গোল করার পাশাপাশি গোলও করিয়েছেন এই তারকা। এই দলের কোচ ছিলেন বাংলাদেশের ক্রীড়ামোদীদের পরিচিত গের্হাড পিটার। তিনিই জিমিকে নিয়ে গেছেন এবার। একই দলে তার সাথে ছিলেন ভারতীয় তারকা খেলোয়াড় প্রভজিত্ সিং। জিমির দলে অন্য খেলোয়াড়রা বিভিন্ন পেশায় জড়িত। জিমির ক্লাব রট-ওয়েস মিউনিখের রয়েছে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দল। মিউনিখের এই দলটির অনুশীলন সকাল থেকেই শুরু হয়। যে কারণে জিমিদের সিনিয়র দলটি অনুশীলন করে রাতে। আর জিমির পুরোদিনটা কাটে বিশ্রামে। জার্মানির অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে জিমি আরো বলেন, ‘বাসা ভাড়া নিতে হলে এক বছরের জন্য নিতে হয়। তাই আমাদের দলের কোচ পিটারের বাসায় থেকেছি। কোচ পিটারের বাড়িটি একটা বাংলো ধাঁচের বাড়ি। সেখানেই আমাকে রাখা হয়েছিল।’ রট-ওয়েস মিউনিখ দলে বাংলাদেশের পেনাল্টি স্পেশালিস্ট মামুনুর রহমান চয়নও গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মাঝ পথে ফিরে আসেন নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য। আরেক খেলোয়াড় মশিউর রহমান বিপ্লবও জার্মানির একটি ক্লাবে খেলে এসেছেন। ২০০৯ সালে জার্মানিতে হকির দরজা খুলেছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য। দিন দিন বাংলাদেশিদের চাহিদা বাড়ছে। জিমি জানালেন, ‘এখন জার্মানির ক্লাবগুলো আমাদের খেলোয়াড়দের নিয়ে ভাবে। তারা খেলাতে চায় আমাদের।’