মাউশিতে নিয়োগ বাণিজ্যের তদন্ত দাবি করেছে বিসিএস শিক্ষা সমিতি

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০১৩, ২২:৪৭
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) দুই হাজার কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির নেতারা। তারা দাবি করেন, কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে শিক্ষা সমিতি কোনভাবেই জড়িত নয়। কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আছে কিনা খতিয়ে দেখার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাগুলোর প্রতি আহবান জানান তারা। গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর এ আহবান জানান। সমিতির সহ-সভাপতি প্রফেসর মাসুমে রব্বানী খান ও অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, যুগ্ম মহাসচিব এসএম বশীর উল্লাহ ও মুনিরা হোসেন, সাবেক মহাসচিব সলিমুল্লাহ খন্দকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এক প্রশ্নের জবাবে অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর বলেন, যেসব কর্মকর্তা সম্প্রতি ‘শিক্ষা ভবন’ থেকে বদলি হয়েছেন তারাই বিসিএস শিক্ষা সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায্য দাবি উপস্থাপন ব্যতীত সমিতি কখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি’র কাজে হস্তক্ষেপ করেনি। গতকাল ‘ইত্তেফাকে’ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে মাউশি বলছে, নিয়োগ কাজে এ পর্যন্ত সকল পর্যায়ের কর্মকাণ্ডই স্বচ্ছতার সাথে হয়েছে। বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) সমিতির সাথে মাউশি’র নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোন সম্পর্ক নেই।