‘উন্নতমানের আম উত্পাদন, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, সরবরাহ, প্রসেসিং, আভ্যন্তরিণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা বলেছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে দেশের সিংহভাগ আম উত্পাদন হয়। এই আম সৃষ্টিকর্তার পবিত্র নিয়ামক। সেই আমে কেমিক্যাল দিয়ে জনসাধারণকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলবেন না। গতকাল মঙ্গলবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় তারা এইসব কথা বলেন।
এগ্রো প্রডাক্টস বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল’র সহযোগিতায় বাংলাদেশ ম্যাংগো প্রডিউসার মার্চেন্টস্ এ্যাসোসিয়েশন এই কর্মশালার আয়োজন করে।
বাংলাদেশ ম্যাংগো প্রডিউসার মার্চেন্টস্ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, গোমস্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম বাচ্চু, রহনপুর পৌর মেয়র গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহুল আমিন, গোমস্তাপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মীর মোঃ শাফিন মামুদ। কর্মশালার কারিগরি পর্বে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দে র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুল ইসলাম। এ পর্বে আমের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, ড. আজিজুর রহমানসহ অন্য বিশেষজ্ঞগণ।
বিদেশে আম রপ্তানি করতে হলে অবশ্যই কেমিক্যাল বর্জন করতে হবে উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞগণ বলেন, প্রযোজন ছাড়া আম গাছে এবং আমে কেমিক্যাল ব্যবহার করা যাবে না। তা ছাড়া যে সব বাগানে কীটনাশক স্প্রে করা হবে সেইসব বাগানে সতর্কবার্তা জনসম্মুখে টাঙ্গানোর দাবি জানানো হয়। আম পাকার সময় কোনমতেই কোন প্রকার কীটনাশক স্প্রে করা নিষিদ্ধ করার জন্যও দাবি জানানো হয়।
