বাংলা
হিমন এডওয়ার্ড গমেজ
সহকারি শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরীজ হাই স্কুল,ঢাকা
ফেব্রুয়ারির গান
১। কবি কোন মন ভোলানো সুর সম্বন্ধে বলেছেন?
উত্তর: কবি সাগর- নদীর ঊর্মিমালার মন ভোলানো সুর সম্বন্ধে বলেছেন।
২। গ্রীষ্ম-বর্ষা -শীতের বাতাসে কিসের প্রতিধবনি ছড়ায়?
উত্তর: গ্রীষ্ম- বর্ষা-শীতের বাতাসে পাহাড় তার সুরের বাহার ঝরণা প্রকৃতিতে প্রতিধবনি ছড়ায়।
৩। পাতা মুগ্ধ হচ্ছে, স্বর্ণলতা মুগ্ধ হচ্ছে কিসের গানে?
উত্তর: পাতা ও স্বর্ণলতা গাছের গানে মুগ্ধ হচ্ছে।
৪। আমরা কোন ভাষাতে আমাদের মনের কথা বলি?
উত্তর: মায়ের মুখের মধুর ভাষা ‘বাংলায়’ আমরা আমাদের মনের কথা বলি।
৫। শহিদ ছেলের দান হিসেবে আমরা কী পেয়েছি?
উত্তর: শহিদ ছেলের দান হিসেবে আমরা পেয়েছি আমাদের মায়ের ভাষা বাংলা।
সুন্দরবনের প্রাণী
১। ক্যাঙ্গারু কোথায় দেখা যায়।
উত্তর: ক্যাঙ্গারু অস্ট্রেলিয়ায় দেখা যায়।
২। সুন্দরবনে কি গন্ডার পাওয়া যায়?
উত্তর: সুন্দরবনে এখন আর গন্ডার পাওয়া যায় না। সুদূর অতীত পাওয়া যেত। সময়ের পরিক্রমায় এবং মানুষের লোভের কারণে সুন্দরবনে গন্ডার বিলুপ্ত হয়েছে।
৩। বাংলাদেশে হাতি কোন অঞ্চলে দেখা যায়।
উত্তর: একসময় বাংলাদেশের সুন্দরবনে হাতি দেখা যেত। কিন্তু বর্তমানে একমাত্র পার্বত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলেই হাতি দেখা যায়।
৪। শকুন কীভাবে মানুষের উপকার করে?
উত্তর: বাংলাদেশে বিলু্প্তপ্রায় প্রাণির মধ্যে শকুন একটি। যদিও শকুনকে কেউ সুন্দর পাখি বলে না। কারণ তার স্বভাব, আচার-আচরণ খুব খারাপ। কিন্তু এরা যাবতীয় অখাদ্য খেয়ে পরিবেশকে সুন্দর করে। শকুন বিলুপ্তিকে বিজ্ঞানীরা উদ্বিগ্ন। কারণ এই পাখিটি পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভুমিকা পালন করে। তাঁরা বলছেন, মানুষের পক্ষে যা ক্ষতিকর, সেইসব আবর্জনা শকুন খেয়ে ফেলে এবং সে কারণেই আমাদের চারদিকে পরিমণ্ডল বসবাসের যোগ্য রয়েছে।
বই
কোন ধরনের বই পড়া উচিত? কেন?
উত্তর: বইকে বলা হয় জ্ঞানের ভাণ্ডার। তাই বলে সব বই ভাল, তা কিন্তু নয়। এমন অনেক বই আছে যা আমাদের যথার্থ জ্ঞান নাও দিতে পারে। এই সকল বই আমাদের জ্ঞানের ভাণ্ডারকে শূন্য করে দেয়। তাই বিশিষ্ট ভাষা বিজ্ঞানী হুমায়ুন আজাদ চমত্কারভাবে বই কবিতায় কোন বই আমাদের পড়া উচিত তা উল্লেখ করেছেন।
যে বই আমাদের বই পড়া উচিত:
যে সকল বই পড়লে আমাদের জ্ঞানের বিস্তার ঘটে, স্বার্থপরতা ও মন্দ চিন্তা দূর হয় সেই ধরনের বই পড়া আমাদের উচিত।
কেন এই বইগুলো আমরা পড়বো: জ্ঞানমূলক আহরণের একমাত্র সহজ উপায় হচ্ছে বই পড়া। কিন্তু সব ধরনের বই পড়লে আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে তা কিন্তু নয়। তাই আমাদের খুঁজে, বুঝে ভালো বই পড়তে হবে। এমন অনেক বই আছে যা আমাদের ভালো মানুষ হওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে যাবে। তাই যে বই আমাদের সুন্দর চিন্তা করাতে শেখায়, ভালো মানুষ হওয়ার পথ দেখায় আমরা সেই বই পড়বো। ভালো বই আমাদের সব সময় স্বার্থত্যাগ করতে শেখায়। সত্, সুন্দর, নিষ্ঠার পথে চলতে উত্সাহিত করে। তাই আমাদের উচিত হবে এমন বই খুেঁজ তা পড়া।
জ্ঞানই আলো, সেই আলোক নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদের জ্ঞানের প্রধান বাহন বই সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে। তাই আমরা এমন বই পড়বো যা, আমাদের উদারতা ও মূল্যেবোধের পথ দেখাবে।
প্রশ্ন :কোন বই পড়া উচিত নয়? কেন পড়া উচিত নয়?
উত্তর: বইকে বলা হয় জ্ঞানের ভাণ্ডার। তাই বলে সব বই ভাল, তা কিন্তু নায়। এমন অনেক বই আছে যা আমাদের যথার্থ জ্ঞান নাও দিতে পারে। এই সকল বই আমাদের জ্ঞানের ভান্ডারকে শূন্য করে দেয়। তাই বিশিষ্ট ভাষা বিজ্ঞানী হুমায়ুন আজাদ চমত্কার ভাবে বই কবিতায় কোন বই আমাদের পড়া উচিত তা উল্লেখ করেছেন।
যে বই পড়া উচিত নয়: যে বই আমাদের মনকে সংকীর্ণ ও স্বার্থপর করে এবং আমাদের পশুতে পরিণত করে আমরা সেই বই পড়বো না, পড়া উচিত নয়।
যে কারণে পড়া উচিত নয়: জ্ঞান আহরণের একমাত্র সহজ উপায় হচ্ছে বই পড়া। কিন্তু সব ধরনের বই পড়লে আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে তা কিন্তু নয়। তাই আমাদের খুঁজে, বুঝে ভালো বই পড়তে হবে। এমন অনেক বই আছে যা আমাদের ভাল মানুষ হওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে যাবে। অনেক বই আছে যা পড়লে আমরা অন্ধকার পথে চলে যেতে পারি। এমন বই আছে সত্, সুন্দর, নিষ্ঠার পথে চলতে উত্সাহিত না করে আমাদের ভিতরের মানুষটাকে পশুতে পরিণত করে। তাই এমন বই আমাদের পড়া উচিত হবে না। সুন্দর জীবন গঠন সহায়ক বই আমাদের বেছে নিতে হবে।
বিজ্ঞান
প্রিয় শিক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা জানবে, তোমাদের প্রতি অধ্যায়ের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জন্য আজ বিজ্ঞান বিষয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের রচনামূলক প্রশ্ন উত্তর সমূহ দেওয়া হলো। তোমাদের প্রস্তুতি সর্বোচ্চ করার জন্য অবশ্যই পাঠ্যবইটি ভালোভাবে পড়তে হবে।
শব্দ দূষণ
অনুশীলনীর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
ক. শব্দ দূষণ রোধে তুমি কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সার সংক্ষেপে লেখ।
আমাদের চারপাশের পরিবেশকে আমরা নানাভাবে ব্যবহার করি। যার ফলে পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে। এসব পরিবর্তন যখন আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয় তখন তাকে পরিবেশ দূষণ বলে। পরিবেশের তিনটি অতিগুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মাটি, পানি ও বায়ু।
শব্দ দূষণ: হঠাত্ উচ্চ আওয়াজ, গোলমাল বা বিভিন্ন উচ্চমাত্রার শব্দের কারণে মানুষের মানসিক ও শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয়। শব্দের এ অধিক্যই শব্দদূষণ নামে পরিচিত। শব্দ বিভিন্ন ভাবে দূষণ হয়। শব্দদূষণ রোধে আমি কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি তা নিন্মরূপ:
শব্দ দূষণ রোধে আমার করণীয়:
শব্দ দূষণ রোধে আমি যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করবো তাহলো:
কোনো অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজাব না।
আতশবাজি বা পটকা ফুটাবো না।
উচ্চস্বরে আওয়াজ বা গোলমাল করব না।
মাইক বাজানো থেকে বিরত থাকব।
যারা শব্দ দূষণ করে তাদেরকে এর ক্ষতিকর দিক বুঝানোর চেষ্টা করব।
অযথা কোন প্রকার শব্দ করবো না।
বিদ্যালয় ও হাসপাতালের সামনে কোন প্রকার উচ্চ মাত্রার শব্দ করবো না।
অযথা যানবাহনের হর্ণ বাজানো যেন না হয়ে তার জন্য জনসচেতনতা গড়ে তুলবো।
আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশ রক্ষা অতিগুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের সকলকে পরিবেশ রক্ষা করার জন্য শব্দ দূষণ রোধে সচেতন হতে হবে।
খ. পরিবেশ সংরক্ষণের পাঁচটি উপায় লিখ।
আমাদের চারপাশের পরিবেশকে আমরা নানাভাবে ব্যবহার করি। যার ফলে পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে। এসব পরিবর্তন যখন আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয় তখন তাকে পরিবেশ দূষণ বলে। পরিবেশের তিনটি অতিগুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মাটি, পানি ও বায়ু। পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য জনসচেতনতার বিকল্প নেই।
পরিবেশ সংরক্ষণের উপায়:
পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আমাদের করণীয় গুলো নিন্মে উপস্থাপন করা হলো:
অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর ও কালকারখানা তৈরি না করা।
বনজঙ্গল কাটাসহ নদীনালা ভরাট বন্ধ করা।
প্লাস্টিক ও পলিথিন যেখানে সেখানে না ফেলা।
মরা জীবজন্তু ও জৈব আবর্জনা মাটিতে গর্ত করে মাটি চাপা দিয়ে রাখা।
কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া।
আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশ রক্ষা অতিগুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের সকলকে পরিবেশ রক্ষা করার জন্য সচেতন হতে হবে এবং প্রত্যেকের করণীয়গুলো নিজ দায়িত্বে পালন করতে হবে।
গ. তোমার এলাকায় পরিবেশ দূষণ রোধ তোমার বন্ধুদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার দুটো উপায় লেখ।
সচেতনতা বৃদ্ধির উপায়: আমার এলাকার পরিবেশ দূষণ রোধে আমার বন্ধুদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার দুটো উপায় হল:
পরিবেশ দূষণের কারণ ও পরিবেশ দূষণ হলে মানুষসহ অন্যান্য প্রাণী ও জীবজন্তুর উপর কী কী প্রভাব পড়তে পারে তা পয়েন্ট আকারে কাগজে লিখে বন্ধুদেরকে দিতে পারি।
বন্ধুদেরকে এক জায়গায় জড়ো করে পরিবেশ দূষণ রোধে কী কী পন্থা অবলম্বন করা যায় সে ব্যাপারে আলোচনা করতে পারি।
আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশ রক্ষা অতিগুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের সকলকে পরিবেশ রক্ষা করার জন্য সচেতন হতে হবে এবং প্রত্যেকের করণীয়গুলো নিজ দায়িত্বে পালন করতে হবে।
