ফরিদগঞ্জে এডিবির অর্থায়নে ১৫টি ইউনিয়নে বরাদ্দ ১০০টি ডিপ টিউবওয়েল নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে একজন চেয়ারম্যান ৪/৫টিও পেয়েছেন। অপরদিকে প্রতিটি কলের জন্য ২৫ হাজার টাকা বাড়তি নেয়ার অভিযোগ এসেছে। একজন চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, ১৬ দানার বলু, আঃ রহিম, খজুরিয়ার হানিফ, হুগোলির আবুল খায়েরের কাছ থেকে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে ওই জানান, টাকা নিয়েছি বা নেইনি কোনটাই বলতে পারবো না। তবে অফিস খরচ ছাড়া কিছুই চলে না এবিষয়টিও সকলকে জানতে হবে। এবিষয়ে ইউএনও মোঃ সাহেদুল ইসলাম জানান, কোন টাকা না নিয়েই উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে কল দেয়া হয়েছে। অপর ১৪টি ইউনিয়নও কথিত অভিযোগের বাইরে নয় বলে অনেকেই বলেছেন। এদিকে নামে ডিপ টিউবওয়েল হলেও বাস্তবে সবগুলোই অগভীর নলকূল। উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর গভীর নলকূপ স্থাপনে কোয়ান্টিটি বাড়াতে গিয়ে কোয়ালিটি রক্ষা করতে পারেনি। প্রতিটি নলকূপ মাত্র ৫৯০ ফিট নির্ধারণ করে ৫৫ হাজার টাকা এস্টিমেট করেছে। এসকল নলকূপের পানি কতটা আর্সেনিকমুক্ত হবে তাও শংকামুক্ত নয়। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মামুন খান জানান, নলকূপের সংখ্যা বৃদ্ধি করায় গভীরতা কমেনি ৫৯০ ফিটের পাশাপাশি নলকূপপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আরো কিছু পাইপ কিনে দিয়ে বসানোর ফলে গভীরতা ঠিক আছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মুজাম্মেল বলেন, নলকূপের বিষয়ে উপজেলা পরিষদের মিটিং-এ সিদ্ধান্ত হয়। তবে টাকা পয়সা নেয়ার ব্যাপারে হ্যাঁ/না কিছুই বলতে চাননি।
