রায়পুরে ২৪টি প্রাইমারী স্কুল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৩, ২৩:০৪
রায়পুর উপজেলায় ১৬টি সরকারি ও আটটি রেজিস্টার্ডসহ মোট ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর মধ্যে ২২টি পাকা ভবন, একটি ভাঙ্গাচুরা টিনের কাঁচা ও একটি সেমিপাকা ভবন। পাকা ভবনগুলোর ছাদের বীমে, পিলারে ও দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়ে রডগুলো বের হয়ে গেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হতে ভবনগুলোর তালিকা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় সব ক’টি পাকা ভবন ১৯৯৫ হতে ২০০০ সালের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) হতে নির্মাণ করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনগুলো হলো- চরকাছিয়া, চরলক্ষ্মী, শিকদার কান্দি, হায়দরগঞ্জ টিআরএম, গোলকপুর, দক্ষিণ-পূর্ব কেরোয়া, কেরোয়া ছবিলপুর, উত্তর চরপাতা, পশ্চিম কেরোয়া, শিবপুর-কাঞ্চনপুর, সাগরদী, রাখালিয়া-১, চরবংশী মজিদিয়া, দক্ষিণ গাইয়ার চর, ঝাউডগি, কাঞ্চনপুর, রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো হলো- পূর্ব চরবংশী, হাওলাদার, চরইন্দুরিয়া, চরবংশী বাবুরহাট, উত্তর চরআবাবিল, চরবিকন্সফিল্ড, মধ্য রায়পুর ও চরপলোয়ান প্রাথমিক বিদ্যালয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, নির্মাণের পর পাকা ভবন যেখানে ৫০ হতে ৬০ বছর পর্যন্ত ঝুঁকিবিহীন থাকার কথা, সেখানে নির্মাণ কাজে ত্রুটি থাকায় এ ২৪টি ভবন ১০ হতে ১২ বছরের মধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ব্যবহার না করার জন্য শিক্ষকদেরকে বলে দেয়া হয়েছে। কয়েকজন প্রধান শিক্ষক জানান, বিকল্প শ্রেণিকক্ষ না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে ভয়ভীতির মধ্যে পাঠদানের কাজ চলছে। উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন ভুঁইয়া জানান, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রকৌশল অফিস হতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর পরিদর্শনের কাজ চলছে।