তিউনিশিয়াই ‘সঠিক পথে’ রয়েছে :ফ্রান্স

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৩, ২৩:১৯
আরব বসন্তের মধ্যদিয়ে গণতন্ত্রের পথে আসা তিনটি দেশের মধ্যে তিউনিশিয়া তূলনামূলকভাবে সঠিক পথে রয়েছে বলে দেশটির প্রশংসা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ। তিউনিসিয়ায় আরব বসন্ত শুরু হওয়ার পথ ধরেই পাশের দেশ মিসর ও লিবিয়ায় গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। মিসরবাসী দেশটির দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক হুসনি মুবারককে এবং লিবিয়ার নাগরিকরা স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে রক্তাক্ত বিপ্লবের মধ্যদিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করে। আর তিউনিশিয়ায়ও একই কায়দায় বিদায় করা হয় আরেক স্বৈরশাসক বেন আলিকে। শুক্রবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ওঁলাদ বলেন, গণতন্ত্রের পথে আসা পাশাপাশি দেশ লিবিয়া ও মিসরের তুলনায় তিউনিসিয়া সঠিক পথে এগুচ্ছে। “ফ্রান্স তিউনিশিয়াকে ৬৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য দেবে এবং উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিতে সমর্থন অব্যাহত রাখবে। দেশটিতে থাকা ৬০ মিলিয়ন ইউরো ঋণকে উন্নয়ন প্রকল্পে রূপান্তরিত করা হবে।” গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আসা তিউনিশিয়ার ‘অন্তর্বর্্তী সরকার’কে এই অঞ্চলের ‘মডেল’ বলেও মন্তব্য করেন ওঁলাদ। আপনারা সঠিক পথে এগুচ্ছেন। লিবিয়ার অন্তর্বর্্তী সরকার সহিংসতায় জাড়িয়েছে। মিসরে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে পদচ্যুত করার মধ্যদিয়ে উত্তরণশীল সরকারের বিলুপ্তি ঘটেছে। আর সিরিয়ার পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা যুদ্ধে রূপ নিয়েছে, বলেন তিনি। ২০১১ সালের বিপ্লবের পর ফ্রান্সের কোনো সরকার প্রধান হিসেবে প্রথম তিউনিশিয়া সফরে যান ওঁলাদ। মিসরে ঘটে যাওয়া বুধবারের সেনা অভ্যুত্থান ও ব্রাদারহুড নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার সমালোচনা করছে তিউনিশিয়া। মিসরের অন্তর্বর্তী সরকার একে অভ্যুত্থান বলে স্বীকার না করলেও তিউনিশিয়া একে ‘সেনা অভ্যুত্থানই’ বলছে।