শ্রমিক কর্মচারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয় এমন কোন কাজ করবে না বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদ। বিমানের গ্রাউন্ড ও কার্গো হ্যান্ডেলিং যৌথ উদ্যোগে করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সেটি বাস্তবায়িত হলে বিমান এবং এর কর্মীরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। যৌথ এ উদ্যোগটি হবে শতভাগ বিমান মালিকানার অধীনে। এতে কোন বিমান কর্মী চাকরি হারাবে না, বেতন-ভাতও কমবে না। বরং নতুন অনেকে চাকরি পাবেন, কেউ কেউ এখনকার চেয়ে বেশি রোজগার করবেন। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেভিন জন স্টীলের দেয়া এ রূপরেখা বিমান পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন করেছে। গতকাল রবিবার বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, দুই বছরের জন্য নিয়োগ পাওয়া বিমানের বর্তমান এমডি তার মেয়াদকালে করণীয় বিষয়ের একটি রূপরেখা তৈরি করে সেটি বিমান পরিচালনা পর্ষদ এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করেন। দুই বছর মেয়াদী কৌশলপত্র পরিকল্পনার অংশ হিসাবে গ্রাউন্ড ও কার্গো হ্যান্ডেলিং এ যৌথ উদ্যোগের জন্য আবশ্যকীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য সম্প্রতি গণমাধ্যমে ‘রিকোয়েস্ট ফর ইনফরমেশন’ প্রকাশ করা হয়েছে। যাত্রী সেবা এবং কার্গো হ্যান্ডেলিংয়ের বর্তমান অবস্থা বিমানের একটি মানসম্মত এয়ারলাইন্সে হয়ে ওঠার পথে বড় অন্তরায়। বিমানের গ্রাউন্ড ও কার্গো হ্যান্ডেলিং একটি গ্রহণযোগ্য মানে নিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, যানবাহন, অবকাঠামো, অফিস ও কম্পিউটার ইক্যুইপমেন্ট সর্বোপরি প্রশিক্ষিত ব্যবস্থাপনার কোনটিই বিমানের নেই। এগুলো সংগ্রহের জন্য আবশ্যকীয় কোটি কোটি ডলার অর্থও বিমানের নেই। এই অবস্থায় গ্রহণযোগ্য একটি যৌথ উদ্যোগই একমাত্র বিকল্প ব্যবস্থা। চুক্তি শেষে যৌথ উদ্যোগের সকল যন্ত্রপাতি, যানবাহন ইত্যাদির মালিকানাও বিমানের হয়ে যাবে। কেভিনের দেয়া এ প্রস্তাব বিমান পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন করেছে।
