ভোলায় গত শনিবার গণপিটুনিতে দুই জলদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ চার জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন- স্পিকার বাহিনীর প্রধান মো. জয়নাল স্পিকার, গিয়াস বাহিনীর প্রধান ও জলদস্যু সম্রাট খ্যাত গিয়াস উদ্দিন, ফোরকান বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ধুমা জহির এবং সালাউদ্দিন। গতকাল রবিবার পুলিশ নিহত জলদস্যুদের লাশ তজুমদ্দিনে আনলে জেলেরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় পুলিশ বাদী হয়ে দুইটি মামলা করেছে।
এর আগে ইলিশ মৌসুমে মেঘনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার সকালে তজুমদ্দিনে চর মাস্টার বাজার সংলগ্ন তেলিয়ার চর এলাকায় দুই জলদস্যু বাহিনীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।
জেলে সূত্র জানায়, ইলিশ জোন খ্যাত মেঘনা নদীর এই বিশাল এলাকা জয়নাল স্পিকার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। তার অনুগত শতাধিক জলদস্যু তজুমদ্দিন থেকে চর জহির উদ্দিন ও হাতিয়া চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ করত।
ওই এলাকা দখলে নিতে মনপুরার গিয়াস বাহিনীর প্রধান গিয়াস উদ্দিন ও স্বপনের নেতৃতে অভিযানে নামে অপর জলদস্যু দল। শনিবার সকাল থেকেই জলদস্যুদের মধ্যে দফায় দফায় গুলি বিনিময় চলে। বিকালের দিকে তেলিয়ার চর এলাকায় শুরু হয় ভয়াবহ বন্দুকযুদ্ধ। পরে গোলাবারুদ শেষ হয়ে গেলে দুই বাহিনীর প্রায় শতাধিক জলদস্যু বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে যায়। এ সময় গণপিটুনিতে চারজন নিহত হয়।
খবর পেয়ে তজুমদ্দিন থানা থেকে টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এসময় সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় একটি দেশি বন্দুক, দুই রাউন্ড গুলিসহ তিনটি বগিদা ।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান জানান, পুলিশ জলদস্যুদের ধরতে অভিযানে রয়েছে।
