বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়
হিমন এডওয়ার্ড গমেজ
সহকারি শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরীজ হাই স্কুল,ঢাকা
প্রিয় শিক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা জানবে, আশা করি তোমরা প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবেই নিচ্ছ। তোমাদের প্রতি অধ্যায়ের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জন্য আজ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের প্রথম অধ্যায়ের রচনামূলক প্রশ্নসমূহ দেওয়া হলো। তোমাদের প্রস্তুতি সর্বোচ্চ করার জন্য অবশ্যই পাঠ্যবইটি ভালোভাবে পড়তে হবে।
অধ্যায়-আমাদের মুক্তিযুদ্ধ
ক. মুজিবনগর সরকার কখন ও কোথায় গঠিত হয়েছিল? এ সরকারে কারা ছিলেন?
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনে একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২৫মার্চ, ১৯৭১ সালের বাঙালির জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গ্রেপ্তার করলে সমগ্র জাতি দিশাহার হয়ে পরে। তার পরে বাঙালি কয়েকজন নেতার সাহসী সিদ্ধান্তে মুজিব নগর সরকার গঠন করা হয়।
মুজিবনগর সরকারের গঠন: মুক্তিযুদ্ধের কিছুদিনের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় প্রথম বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান উপজেলা মুজিবনগর) গ্রামের আমবাগানে এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারে যাঁরা ছিলেন: বঙ্গবন্ধু পাকািস্তানে কারাবন্ধী অবস্থায় মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। মুজিবনগর সরকারে যেসকল নেতারা ছিলেন তাঁরা হলেন-
রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উপরাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ।
এছাড়া বেশ কয়েক জন সাহসী নেতা এই সরকারের বিশেষ দায়িত্বে ছিলেন। তাঁরা হলেন- ক্যাপ্টেন(অব) এম. মনসুর আলী ও এ.এইচ. এম কামরুজ্জামান, খন্দকার মোশতাক আহমেদ
মুজিবনগর সরকারে যাঁরা ছিলেন তাঁরা আমাদের এই বাংলাদেশেরই বীরসন্তান। তাঁদের অবদান ও আত্নত্যাগের কথা বাঙালি জাতি কোন দিন ভুলবেনা।
খ. আমাদের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব বর্ণনা কর।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনে একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২৫মার্চ, ১৯৭১ সালের বাঙালির জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গ্রেপ্তার করলে সমগ্র জাতি দিশাহার হয়ে পরে। তার পরে বাঙালি কয়েকজন নেতার সাহসী সিদ্ধান্তের মুজিব নগর সরকার গঠন করা হয়।
মুজিবনগর সরকারের গঠন: মুক্তিযুদ্ধের কিছুদিনের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় প্রথম বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান উপজেলা মুজিবনগর) গ্রামের আমবাগানে এই সরকার শপথ গ্রহন করে।
মুজিবনগর সরকারের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্ব:
মহান মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব অপরিসীম। এই সরকারের সাহসী মনোভাব ও সিদ্ধান্ত বাঙালি জাতিকে একটি লাল সবুজের পতাকা ও সোনার বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে। মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব নিম্নরূপ:
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং দেশ ও বিদেশে এ যুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা ও সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই সরকারের আহবানে অগণিত দেশ প্রেমিক মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরে। মুক্তিযুুদ্ধকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করেছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিল।
দেশের বাইরে এই দেশের নিরিহ জনগণের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছিল। যু্দ্ধ পরবর্তী দেশে মানুষের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছিল। মুজিবনগর সরকারে যাঁরা ছিলেন তাঁরা আমাদের এই বাংলাদেশের বীর সন্তান। তাঁদের অবদান ও আত্নত্যাগের জন্য আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা।
তাই বাংলাদেশ যত দিন থাকবে, তত দিনই এই দেশের মানুষ অবনত মস্তকে মুজিবনগর সরকারের ছিলেন তাঁদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
বাংলা
প্রিয় শিক্ষার্থীরা আজ বই অধ্যায় থেকে এককথায় / জ্ঞানস্তরের প্রশ্ন উত্তরসহ আলোচনা করা হলো
১। বই কবিতাটি কোন কবি লিখেছেন?
উত্তর: হুমায়ুন আজাদ।
২। প্রদীপ কোথায় জ্বলে?
উত্তর: বইয়ের পাতায়।
৩। বইয়ের পাতা কী বলে?
উত্তর: স্বপ।
৪। পাতায় পাতায় কী ফোটে?
উত্তর: গোলাপ।
৫। বই তুমি কী করবে?
উত্তর: পড়বে।
৬। যে বই ভিন্ন আলো জ্বালে তোমাকে ভালোবাসতে শেখায় সে বই তোমাকে কী করতে হবে?
উত্তর: পড়তে হবে।
৭। কোনগুলো কোনো বই নয়?
উত্তর: যে বই ভয় দেখায়।
৮। যে বই ভয় দেখায় সেই বই তুমি কী করবে না?
উত্তর: পড়বে না।
৯। যে বই তোমায় বন্ধু করে অন্ধ করে সেই বই তুমি কী করবে না?
উত্তর: পড়বো না।
১০। যে বই জুড়ে সূর্য ওঠে সে বই তুমি কী করবে?
উত্তর: পড়বে।
১১। ভালো বই কী করে?
উত্তর: সুন্দর ও শুভ চিন্তা ভাবনার কথা বলে। আমাদের মনকে সুন্দর স্বপ্নে ভরিয়ে তোলে।
১২। ভালো বই আমাদের মনে কিসের প্রদীপ জ্বালিয়ে দেয়?
উত্তর: শুভ-ভাবনার।
১৩। ভালো বই কী দূর করতে আমাদের মনকে সাহায্য করে?
উত্তর: স্বার্থপরতা ও মন্দ চিন্তাকে দূর করতে।
১৪। বই আমাদের কেমন মানুষ হয়ে ওঠার পথ দেখায়?
উত্তর: ভালো মানুষ।
১৫। মানবিক গুনসম্পন্ন মানুষ হয়ে উঠবার জন্য আমাদের কেমন বই পড়া উচিত?
উত্তর: সুন্দর ভাবনা চিন্তায় ভরা বইগুলো পড়া উচিত।
১৬। প্রদীপ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: বাতি, দীপ।
১৭। কবি, ঔপন্যাসিক ও ভাষাবিজ্ঞানী কে?
উত্তর: হুমায়ুন আজাদ।
১৮.কত সালের কত তারিখে হুমায়ুন আজাদ জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৯৪৭ সালের ২৮শে এপ্রিল।
১৯.কত সালে হুমায়ুন আজাদ মৃত্যুবরণ করেণ?
উত্তর: ২০০৪ সালে।
বীরের রক্তে প্রতিষ্ঠিত দেশ
একবাক্যে উত্তর দাও:
১। দূরন্ত কিশোরের নাম কী?
উত্তর: নূর মোহাম্মদ শেখ।
২। নূর মোহাম্মদ বাবা- মায়ের কততম সন্তান?
উত্তর: একমাত্র।
৩। কিসের প্রতি নূর মোহাম্মদের প্রবল অনুরাগ ছিল?
উত্তর: নাটক, থিয়েটার আর গানের প্রতি।
৪। কেমন বয়সে নূর মোহাম্মদের বাবা মা মারা গেলেন?
উত্তর: কিশোর বয়সে।
৫। বাবা মা’র মৃত্যুর পর কার জীবন বদলে গেল?
উত্তর: নূর মোহাম্মদ শেখের।
৬। নূর মোহাম্মদ কোথায় যোগ দিলেন?
উত্তর: ইপি আর এ।
৭। ইপিআর এর পূর্ণ নাম কী?
উত্তর: ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস।
৮। অন্যান্য বাঙালির মতো কে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন?
উত্তর: নূর মোহাম্মদ শেখ।
৯। কতসালের কত তারিখে পাকিস্তানি সেনা আর রাজাকার যশোরের পাকিস্তানি ঘুটিপুর ক্যাম্পে অবস্থান করছিল?
উত্তর: ১৯৭১ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর।
১০। কোথায়/ কোন গ্রামে টহল দিচ্ছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা?
উত্তর: গোয়ালহাটি গ্রামে।
১১। কত জন মুক্তিযোদ্ধা টহল দিচ্ছিলেন ঐ গ্রামে?
উত্তর: ৫ জন।
১২। পাঁচ মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন কে?
উত্তর: ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।
১৩। কারা মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান টের পেয় যান?
উত্তর: পাকিস্তানি সেনারা।
১৪। কাদের সহায়তায় কয় দিক থেকে পাকিস্তানি সেনারা মুক্তিযোদ্ধাদের ঘিরে ফেলে?
উত্তর: রাজাকারদের সহায়তায় তিন দিক থেকে।
১৫। অসীম সাহসী মুক্তিযোদ্ধার নাম কী ছিল?
উত্তর: নান্নু মিয়া।
১৬। কে মেশিন গান থেকে গুলি ছুঁড়ছিলেন?
উত্তর: নান্নু মিয়া।
১৭। প্রতি পক্ষের একটা গুলি কার গায়ে এসে লাগে?
উত্তর: নান্নু মিয়ার।
