পরীক্ষা শুরু হওয়ার দুই মাস আগেই সবগুলো বোর্ড বই পড়ে শেষ করেছি

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৩, ১৯:১৬
হোসাইন মোহাম্মদ কুতুবউদ্দিন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা-২০১২তে টেলেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত। গত বছরের শুরু থেকেই মনে একটা চাপা উত্তেজনা নিয়ে সমাপনী পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছিলাম কারণ এটা আমার জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা ছিল। তাই গত বছর আমি কোনো দিন ক্লাস মিস দেইনি এবং প্রত্যেকটি ক্লাস মনোযোগ দিয়ে করেছি। ক্লাসে যা পড়ানো হয়েছিল তা বাসায় এসে পূনরায় পড়তাম । আমি সারাদিনে অন্তত পক্ষে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পড়তাম। পরীক্ষা শুরু হওয়ার দুই মাস আগেই সবগুলো বোর্ড বই পড়ে শেষ করেছি। বিভিন্ন পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে কতটুকু পড়া হয়েছে তা যাচাই করতাম। পরীক্ষা আগের রাতে বেশিক্ষণ জাগতাম না, শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ও প্রশ্নের উত্তরগুলো পড়ে রাখতাম, মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতাম। পরীক্ষার সময় মাথা গরম থাকলে পরীক্ষা খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া প্রতিদিন ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে হবে এবং বিশ্রাম নিতে হবে, শুধুমাত্র পড়ালেখা করলেই হবে না পরিমিত পরিমানে খাবারও খেতে হবে, বিশ্রাম নিতে হবে এবং খেলাধুলাও করতে হবে। বোর্ডবইয়ের প্রত্যেকটি অধ্যায়, লাইন ও অনুশীলনী সম্পূর্ণ মুখস্ত করতে হবে। বানান যেন সঠিকভাবে লেখা যায় সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। পরীক্ষার খাতায় গুরুত্ব্বপূর্ণ বিষয় হল হাতের লেখা, হাতের লেখা অবশ্যই সুন্দর হতে হবে। সুন্দর হাতের লেখা শিক্ষকের কাছ থেকে ভাল নাম্বার আনতে সাহায্য করে। আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দের একটি কথা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করতাম এবং এখনো বিশ্বাস করি যে রাতের গভীর অন্ধকার থেকে সোনালী সকাল ছিনিয়ে আনতে হলে পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই। আমার আব্বা আম্মা এবং সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের নিকট থেকে যে অনুপ্রেরণা পেতাম তা আমাকে বেশি বেশি বই পড়তে উত্সাহ যোগাত।