দেশের বাজারে ৪র্থ প্রজন্মের ইন্টেল প্রসেসর উন্মোচিত

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৩, ২০:০২
বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি বাজারে মাসখানেক আগেই বিক্রি শুরু হয়েছে ইন্টেলের চতুর্থ প্রজন্মের প্রসেসর। এবারে দেশের বাজারেও ইন্টেলের চতুর্থ প্রজন্মের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। ৪র্থ প্রজন্মের এই ইন্টেল কোর প্রসেসর পরিবার পার্সোনাল কম্পিউটিংকে প্রভাবিত করবে পূর্ণমাত্রায়। ৪র্থ প্রজন্মের ইন্টেল কোর প্রসেসর ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট চাহিদাগুলোকে মাথায় রেখে দিচ্ছে নতুন সব অভিজ্ঞতা, চমকপ্রদ দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ, যুগান্তকারী গ্রাফিক্স সুবিধা এবং টু-ইন-ওয়ান বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ সব ডিভাইস, ট্যাবলেট, হাই-এন্ড কম্পিউটার এবং পোর্টেবল অল-ইন-ওয়ান সিস্টেম এবং সুরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইন্টেল ভিপ্রো বিজনেস ডিভাইস। রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্টেল বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়া মনজুর আনুষ্ঠানিকভাবে চতুর্থ প্রজন্মের এই প্রসেসর উন্মোচন করেন দেশের বাজরে। জিয়া মনজুর জানান, নতুন ইন্টেল কোর প্রসেসর অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে কাজ করতে সক্ষম। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাপনে নতুন অভিজ্ঞতা প্রদানে সক্ষম এটি। পাওয়ার ডিজাইনের ক্ষেত্রে ৬ ওয়াটের মতো কম শক্তিতে ইন্টেল তৈরি করছে পাতলা, হালকা, ঠাণ্ডা এবং পাখাবিহীন ডিজাইন। সর্বোচ্চ কার্যক্ষমতাসম্পন্ন ৪র্থ প্রজন্মের ইন্টেল কোর প্রসেসর পূর্বের প্রসেসরগুলোর থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। জিয়া মনজুর বলেন, ‘ইন্টেল ৪র্থ প্রজন্মের কোর প্রসেসর উল্লেখযোগ্য ব্যাটারি লাইফ প্রদান করে যা ইন্টেলের একটি নজিরবিহীন অর্জন।’ ভোক্তা এবং বাণিজ্যিক কাজের উপর লক্ষ রেখে তৈরি ইন্টেল ৪র্থ প্রজন্মের কোর প্রসেসরভিত্তিক কোয়াড কোরের বিভিন্ন সংস্করণ এখন বাজারে সহজলভ্য বলেই জানান তিনি। টু-ইন-ওয়ান আল্ট্রাবুক, বহনযোগ্য অল-ইন-ওয়ান, প্রচলিত ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ এবং ৪র্থ প্রজন্মের কোর ভি-প্রোভিত্তিক বাণিজ্যিক পণ্যসমূহ এ বছরের শেষ নাগাদ বাজারে পাওয়া যাবে বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে নতুন এই প্রসেসর ব্যবহার করে দেশিয় ও বিদেশি ব্র্যান্ডের ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, আল্ট্রাবুক প্রভৃতি প্রদর্শন করা হয় উপস্থিত অতিথিদের এই প্রসেসরের কর্মক্ষমতা বাস্তবে পরীক্ষা করে দেখার জন্য।