ঈদের পরেই ডিসিসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৩, ২২:৪৮
নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ বলেছেন, ঈদের পরেই বিভক্ত দুই ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ নং ওয়ার্ডের (সাবেক সুলতানগঞ্জ ইউনিয়ন) জটিলতার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দেয়া হয়েছে চিঠি। ওয়ার্ডগুলোকে পাড়া-মহল্লাকেন্দ্রিক করতে চিঠিতে বলা হয়েছে। কারণ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত সিএস দাগের ভিত্তিতে ভোটার তালিকা প্রণয়ন কঠিন হবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ডিসিসি নির্বাচন দেরি হওয়ার জন্য ইসিই দায়ী—এলজিআরডি সচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, তাদের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। জটিলতাগুলো খুব তাড়াতাড়ি নিরসন হবে। যদি তারা সময়মতো সীমানা জটিলতা নিরসন করে না দেয়, তাহলে অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রাতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাথে কমিশনের ফোনালাপের ফলে কমিশনের প্রতি আস্থা ফিরেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ছিল সৌজন্যমূলক কথাবার্তা। এটা হতেই পারে। এখানে আস্থা-অনাস্থার কিছু নেই। তিনি (খালেদা জিয়া) জানতে চেয়েছিলেন ‘ফলাফল ঘোষণায় দেরি হচ্ছে কেন’। আমরা তাকে আশ্বাস দিয়েছিলাম—খুব তাড়াতাড়ি ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এ সপ্তাহের শেষের দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রস্তুত হয়ে যাবে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ-৪ উপনির্বাচনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। গাজীপুর সিটি নির্বাচনের পর কমিশনের সার্বিক মূল্যায়ন সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত জানি জনগণ আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট। আমরা জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি। নির্বাচনে ৬৩.৬৯% ভোট কাস্ট হওয়াকে সন্তোষজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাকি ৩৫% ভোট পড়েনি, এর প্রধান কারণ দুই দিন নির্বাচনী এলাকার কারখানাগুলো বন্ধ ছিল। এর ফলে কারখানা শ্রমিকরা বাড়ি চলে গিয়েছিল। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, আরপিও’র সংশোধন ও ব্যাখ্যা কমিশন থেকে চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন বাকি কাজ মন্ত্রণালয় করবে।