কারা মহাপরিদর্শক এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা বলেছেন, কারাগারে নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি বন্দিদের প্রতি মানবিক আচরণ প্রদর্শন ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে অপরাধীদের চরিত্র সংশোধন করে সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগকে সফল করতে কারা কর্মকর্তা কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য যুগোপোযোগী প্রশিক্ষণ প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি রবিবার সকালে গাজীপুরে কাশিমপুর কারা কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণের প্যারেড গ্রাউন্ডে ১১তম ডেপুটি জেলার ও ৫৫তম কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কারা অভ্যন্তর হতে জঙ্গি ও শীর্ষ সন্ত্রাসীরা যাতে কোনোরূপ সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী তত্পরতা চালাতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। শৃঙ্খলা ও মানবিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রতিরোধ করতে হবে। ১১তম ডেপুটি জেলার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে ২৬ জন পুরুষ ও ২৬ জন মহিলাসহ মোট ৫২ জন ডেপুটি জেলার এবং ৫৫তম কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে ৩২২ জন পুরুষ কারারক্ষী প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মো. আবরার হোসেন। অন্যদের মধ্যে কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. বজলুর রশীদ, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ১ ও ২ এর সিনিয়র জেলসুপার সুব্রত কুমার বালা, কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহজাহান আহমদ, কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার বিকাশ রায়হান ও কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার তারিকুল ইসলামসহ কারা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
