সিলেটে নতুন ফ্লাড লাইটই বসবে

আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৩, ২১:৫০
আগের দিনই আম্পায়ার ও স্কোরারদের ওয়েবসাইট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট এক ক্রান্তিকালের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। ক্রান্তিকাল হোক আর নাই হোক; ব্যস্ততম সময় যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অতিবাহিত করছে তাতে সন্দেহ নেই। বলাই বাহুল্য, এখনকার ব্যস্ততার মূলে আছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। গতকালও অন্তত গোটা দুয়েক বড়-ছোট সভা ছিল বিসিবির। এর মধ্যে বিসিবির সঙ্গে পর্যটন করপোরেশনের কক্সবাজার স্টেডিয়াম সংক্রান্ত বৈঠকটা কাল হয়নি। তবে হয়েছে বিসিবির নিজস্ব বিভিন্ন কমিটির কর্মকর্তাদের নিয়ে দুই ভেন্যুর নির্মাণ ও সংস্কার কাজের পরিকল্পনা খতিয়ে দেখার অলিখিত এক সভা। সেখানে অনেক বিষয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে, সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামে নতুন ফ্লাড লাইট আমদানি করে এনেই লাগানো হবে; পুরানো কোনোটা খুলে লাগানো হবে না। বিসিবির আপাতত চ্যালেঞ্জ হল আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের পরিদর্শনের আগে দুটি মূল ভেন্যু সিলেট ও কক্সবাজার এবং দুটি বিকল্প ভেন্যু ফতুল্লা ও বিকেএসপিকে একটা সন্তোষজনক অবস্থানে নেয়া। যাতে করে এই বিশেষ পরিদর্শক দল মনে করেন যে, অক্টোবরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামসহ সবগুলো ভেন্যু বিসিবি আইসিসির কাছে হস্তান্তর করতে পারবে। সে লক্ষ্যে কক্সবাজার স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজের দায়িত্ব নেয়ার কথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের। আগামীকাল বা পরশু এ বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পর সেনাবাহিনীর প্রকৌশলী দল কাজ শুরু করতে পারেন বলে বিসিবি সূত্রে জানা গেল। তার আগে অবশ্য বিসিবি ও পর্যটন করপোরেশনের একটা বৈঠকের ব্যাপার আছে; আজই সেটা শেষ হবে। এদিকে আসল দুশ্চিন্তা যে সিলেট ভেন্যু নিয়ে, তার কাজ এখন যে গতিতে চলছে তাতে বিসিবির গতকালকের সভায় সন্তোষই প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বারবার সবাই আরো কাজে জোর দেয়ার কথা বলেছেন; সেজন্য প্রয়োজনে আরো জনবল নিয়োগের আলাপ হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্লাডলাইট আমদানি করার। শুরুতে ফ্লাডলাইট আমদানির সিদ্ধান্ত থাকলেও পরে বেশি সময় লাগবে বলে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিল বিসিবি। শেষ পর্যন্ত গতকাল সবাই আলোচনা করে ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন, নতুন ফ্লাডলাইট আনতে এবং বগুড়া বা খুলনা থেকে খুলে এনে বসাতে প্রায় একই সময় লাগবে। তাই নতুন আনার সিদ্ধান্তেই স্থির আছেন এখন বিসিবি কর্মকর্তারা।