অর্থ পাচারের বিষয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ অন্যদেরকেও এখন সতর্ক থাকতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ সম্পর্কিত কোন তথ্য জানতে চাইলে তাত্ক্ষণিকভাবে তা জানাতেও বাধ্য থাকবে এসব প্রতিষ্ঠান। গত মাসে পাস হওয়া সন্ত্রাস বিরোধী আইন-২০১৩-তে এমনই বিধান রাখা হয়েছে।
গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এ আইন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করতে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠিয়েছে।
এছাড়া বীমাকারী, মানি চেঞ্জার, অর্থ অথবা অর্থমূল্য প্রেরণকারী বা স্থানান্তরকারী যে কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতিক্রমে ব্যবসা পরিচালনাকারী অন্য কোন প্রতিষ্ঠান, স্টক ডিলার ও স্টক ব্রোকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার ও মার্চেন্ট ব্যাংকার, সিকিউরিটি কাস্টডিয়ান, সম্পদ ব্যবস্থাপক, অ-লাভজনক সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, সমবায় সমিতি, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার, মূল্যবান ধাতু বা পাথরের ব্যবসায়ী ট্রাস্ট ও কোম্পানি সেবা প্রদানকারী, আইনজীবী, নোটারী, অন্যান্য আইন পেশাজীবী এবং একাউন্টেন্টদের কাছেও একই বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোন রকম সন্দেহজনক লেনদেন হলে তা বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে বলা হয়েছে।
সন্ত্রাস বিরোধী আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি যদি দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা অন্য যেকোনো ধরনের অবৈধ পন্থায় অর্জন করা হয় তা অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর অবৈধভাবে উপার্জিত এ অর্থ যদি কোনো ব্যাংকে রাখা হয় মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনের আওতায় সরকার সে অর্থ বাজেয়াপ্ত বা জব্দ করতে পারবে।
