ফ্যাশন বৈচিত্র্যের প্রকাশ তরুণ-তরুণীদের মাধ্যমে ছড়ালেও ফ্যাশনের সৃষ্টিশীলতা ও বৈচিত্র্যের মূল কারিগর ফ্যাশন হাউসগুলো। নগরীর ফ্যাশন হাউসগুলো তাই ফ্যাশনসচেতন তরুণ-তরুণীদের ভিড়ে সর্বদা কোলাহলমুখর। বাংলাদেশের কিডজ ও তারুণ্যনির্ভর ফ্যাশন হাউসের জগতে ‘মেনজ ক্লাব’ ইতোমধ্যেই একটি প্রতিষ্ঠিত ও প্রথম সারির ফ্যাশন হাউস। বসুন্ধরা সিটির মেনজ ক্লাব ঘুরে এসে লিখেছেন সাজেদুল ইসলাম শুভ্র ও ছবি তুলেছেন দীপঙ্কর দীপু
বদলায় সময়। বদলায় রং। বদলায় ফ্যাশন। যখন যেমন, তখন নিজেকে তেমন করেই সাজাতে হয়। ফ্যাশনে এখন লেগেছে পাশ্চাত্যের ছোঁয়া। তাই নিজেকে সেই সাজেই সাজাতে হবে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলাতে গিয়ে একসময় মনের অজান্তেই আপনি অভ্যস্ত হয়ে যাবেন এই ফ্যাশনে। আর মেনজ ক্লাব সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে পুরুষের পছন্দের সেরা পোশাকটা দিতে চেয়েছে সবার আগে। ফরমাল কি ইনফরমাল, সব কিছুতেই এর জুড়ি মেলা ভার। উন্নত ফ্যাব্রিক্স এবং বৈচিত্র্যময় ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও ব্র্যান্ড হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আধুনিকতার সবটুকু বিশেষণ পোশাকের মধ্যে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই ফ্যাশন হাউসটি বিশেষ পারদর্শী। যার ফলে আধুনিক ফ্যাশন-পিপাসু তরুণদের নিকট এই ফ্যাশন হাউসটি বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। বসুন্ধরা সিটির লেভেল ৭-এ এই ফ্যাশন হাউসটির সুবিশাল শো-রুম রয়েছে। কিডজ ও তারুণ্য নির্ভর ডিজাইন আউটলাইন নিয়ে মেনজ ক্লাব। আলো ঝলমলে সাজসজ্জা আর বর্ণিল রঙের সম্মিলন এখানকার ব্র্যান্ডপ্রেমীদের জন্য শপিংয়ের নতুন দিগন্ত। এখানে থাকছে আট-দশ বছরের শিশুদের চমত্কার সব পোশাক ও খেলনা সামগ্রী, সেই সাথে পুরুষদের নানান ধরনের পোশাকের সমারোহ। ফিটফাট, ট্রেন্ডি বা ট্র্যাডিশনাল কিছুই বাদ যায়নি এই ওয়ারড্রোব থেকে। ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহূত জুতো, মানিব্যাগ, ব্রেসলেট, কাফলিন, টাইয়ের বিশাল কালেকশনও পেয়ে যাবেন এখানে। ঋতুভিত্তিক পোশাক এখন ফ্যাশন ট্রেন্ডের পরিচিত রূপ। সাথে আছে উত্সবের ভিন্নতা আর চলমান ফ্যাশন ট্রেন্ড। তাই পোশাকের এই ডিজাইন আর প্যাটার্নে ভেরিয়েশন এনে ব্র্যান্ডশপ মেনজক্লাব করেছে ফিউশন। টি-শার্ট আর পলো শার্টের পাশাপাশি থাকছে বেসিক ফিটেড প্রিন্টের শার্ট। আরও থাকছে প্যান্ট, ফরমাল শার্টসহ নানা ফ্যাশন অনুষঙ্গ। রয়েছে অনেক ডিজাইনের পাঞ্জাবিও। মেনজ ক্লাবের সবগুলো পোশাকেরই গুণগত মান খুব নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রিত। সাধারণত তারা তাদের সকল পণ্যের মান এবং বিশেষ করে ফিটিংসের জন্য বেশি পরিচিত। এখানে ক্যাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও বিল পরিশোধ করা যায়। বিশ্বের সকল প্রকার ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়ের পর বিল পরিশোধ করা যায়।
এক নজরে
মেনজ ক্লাব
যাত্রা শুরু :২০০১
কোথায় :বসুন্ধরা সিটি, লেভেল ৭, পান্থপথ, ঢাকা
কখন যাবেন :মঙ্গলবার বাদে যেকোনো দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা
ব্যবস্থাপক বলেন :মেনজ ক্লাবের কাপড়ের মান সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে ক্রেতাদের, তা ছাড়া গ্রাহক সেবাও তাদেরকে অনেক দূর নিয়ে এসেছে। নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনের চাহিদা পূরণে বরাবরই সক্রিয় মেনজ ক্লাবের ডিজাইনাররা। আর তাই নির্দ্বিধায় ফ্যাশনের প্রথম পছন্দ হতে পারে মেনজ ক্লাব।
