ক্যাম্পাস তারকা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় : হাসাতে ভালোবাসে তারেক

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৩, ১৯:৩১
হা-সো! দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী একমাত্র জোকস রিয়েলিটি-শো..। দেশের মানুষকে হাসতে বাধ্যকারী এই জোকস রিয়েলিটি-শোতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব আর্জন করেছেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র প্রখ্যাত অভিনেতা তারেক মাহমুদ। দীর্ঘ দিনের অক্লান্ত চেষ্টা-সাধনার মাধ্যমে হাজারো প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে এবং সারা দেশের মানুষকে অসম্ভব হাসির জোয়ারে ভাসিয়ে রেখে সর্বশেষ চূড়ান্ত বিজয়ের মালা ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন এ বিজয় আমার জীবনে এটি বড় পাওয়া। ভবিষ্যতে কাঙ্ক্ষিত বড় অভিনেতা হওয়ার ক্ষেত্রে এটা একটা বড় প্রেবণা হিসেবে কাজ করবে। কোয়াটার ফাইনালে ১০ জন থেকে কমে আসে ০৬ জনে। এই রাউন্ডেও প্রত্যেকে প্রতিযোগী দুবার করে উপস্থাপনার সুযোগ পায়। এই ৬ জন হয়ে যায় মার্সেল প্রেজেন্ট হা-সো সিজন টু এর ফাইনালিস্ট। পরবর্তীতে সপ্তম রাউন্ডে অর্থাত্ সেমি-ফাইনালে এই ছয়জন প্রতিযোগী প্রত্যেকে আবার দুবার করে উপস্থাপনার সুযোগ পায়। সেমিফাইনালে চিত্রনায়ক আমিন খান অতিথি বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। নিয়মিত বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা আব্দুল কাদের, তুষার খান এবং চিত্রনায়িকা নিপুণ। অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ছিলেন দেবাশীষ বিশ্বাস। সবসময় সবাইকে সম্পৃক্ত করে রাখার জন্য ছিলো মিউজিক টিম রাবার ব্যান্ড। অনুষ্ঠানের প্রযোজক ছিলেন হাসান ইউসুফ খান। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে প্রতিযোগীরা মনোমুগ্ধকর সব উপস্থাপনার মধ্যদিয়ে দর্শকদের হূদয় জয় করতো তারা ছিলেন ক্রিয়েটিভ টিম। তারেক মাহমুদের নিজ বাড়ী নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার সাধুরখিল গ্রামে। খুলনা থেকে অডিশনে অংশগ্রহণ করার সুবাদে তিনি সবার কাছে কুষ্টিয়ার তারেক হিসেবে পরিচিত হয়ে যান। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তিনি মার্সেল প্লাজমা ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল, একটি সুদৃশ্য ক্রেস্ট, মার্সেল ডিভিডি প্লেয়ার, মমতাজ হারবাল এবং টিভিসি এসকাইসপের পক্ষ থেকে ফাটাফাটি গিপ্ট হ্যাম্পার এবং কক্সবাজারে হোটেল দা কক্স টুডে তে তিন দিন দ’ু রাত থাকার সুযোগ পেয়েছেন। চ্যাম্পিয়নের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এনটিভির পরিচালক মাহবুবা সুলতানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিচারকমণ্ডলী এবং স্পন্সর কোম্পানীগুলোর নির্বাহী সদস্যবৃন্দ। তারেকের এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। তারেক মাহমুদ কেবল অভিনয়েই সেরা নন একাধারে তিনি একাডেমিক পড়াশুনায়ও সেরা। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এল এল বি (অনার্স) তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় সম্মিলিতভাবে তৃতীয় স্থান এবং দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন।