সিলেট ওসমানী হাসপাতালে আঙুল ও কব্জি পুনঃসংযোজন

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ২২:১৬

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন, প্লাস্টিক, কসমেটিক অ্যান্ড মাইক্রোসার্জারি বিভাগের চিকিত্সকরা বিচ্ছিন্ন অঙ্গের পুনঃসংযোজনে সফল হয়েছেন। লিটন মিয়া ও ইয়াসিন আলী নামে দুই ভাগ্যবানের আঙুল ও কব্জি পুনঃসংযোজন করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মাহবুবুল হক গত সোমবার এ সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। এ সময় উপ-পরিচালক ডা. দেবপদ রায়, সহকারী পরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ডা. এ এফ এম নাজমুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. আবুল ফাত্তাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে শরীর থেকে বাম হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার সেচনী গ্রামের লুত্ফুর রহমানের পুত্র লিটন মিয়ার। বিচ্ছিন্ন হাত কখনো ফিরে পাবেন এমন আশা ছিল না তার। বিচ্ছিন্ন অঙ্গ নিয়ে স্বজনরা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন তাকে। বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. হাসিব রহমান ও কসমেটিক অ্যান্ড মাইক্রোসার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা. মো. আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে চিকিত্সকরা অস্ত্রোপচার করে কব্জি পুনঃসংযোজন করেন।

একইভাবে তিন মাস আগে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে বৃদ্ধাঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বিশ্বনাথের দরাগাই এলাকার ইয়াসিন আলীর। গত ৮ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। চিকিত্সকরা তারও বৃদ্ধাঙুল পুনঃসংযোজন করে দেন। বর্তমানে এই আঙুলে চেতনা ফিরে এসেছে।

অঙ্গ পুনঃসংযোজনের সফলতার প্রসঙ্গে চিকিত্সক ডা. এম এ মান্নান বলেন, ওই দুই রোগী ৯৯ ভাগ সুস্থ। তবে হাত বিচ্ছিন্ন ব্যক্তির আরো দুটি অস্ত্রোপচার বাকি রয়েছে। ডা. হাসিব আহমদ বলেন, অঙ্গহানি ঘটলে তা ১২ ঘণ্টার মধ্যে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুনঃসংযোজন সম্ভব।